ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

দিনদুপুরে সশস্ত্র হামলা: ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি, মাসে ১০ লাখ’—চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব, লুট ৩৫ লাখ টাকা

জেটিভি নিউজ বাংলা 

তারিখ :১৩ জুলাই ২০২৬ ইং,সময় রাত ০৮:৩২ মিনিট। ছবি সংগৃহীত।

দিনদুপুরে সশস্ত্র হামলা: ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি, মাসে ১০ লাখ’—চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব, লুট ৩৫ লাখ টাকা

চট্টগ্রাম নগরে দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে দিনদুপুরে একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং ৩৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, হামলায় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা জড়িত। হামলার শিকার প্রতিষ্ঠানের মালিক আদিল বিন মামুন জানান, ঘটনার দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ডেভিড ইমন (মোবারক হোসেন ইমন) পরিচয়ে একটি ফোনকল আসে। ফোনে ইমন বলেন, “ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি। মাসে দিবি ১০ লাখ। এখন থেকে ব্যবসা আমরা করবো।” চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আদিল বিন মামুন আরও জানান, মোবাইলে কথোপকথনের সময় ডেভিড ইমন দাবি করেন যে তাকে সবাই চেনে। এমনকি নিজের ছবি পুলিশ কমিশনারকে দেখালে চিনতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি স্মার্ট গ্রুপের মালিক মুজিবুর রহমানের বাসায় চাঁদা না পেয়ে গুলি চালানোর ঘটনাও উল্লেখ করেন এবং আদিল বিন মামুন তাদের চেয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে গেছেন কিনা—সেই প্রশ্নও তোলেন। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। দিনদুপুরে সংঘটিত এ হামলার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ ডিডিএনের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। হামলাকারীরা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একজনকে কুড়াল দিয়ে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ডিডিএনের পরিচালক রিদোয়ানুল কবির বলেন, “হঠাৎ ১৫ থেকে ২০ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। এ সময় কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।” চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, “হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী। তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।” এর আগে, গত ৯ মে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে এক সাংবাদিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। বিপ্লব দে পার্থ নামের ওই সাংবাদিককে এ হুমকি দেন মোবারক হোসেন ইমন। পরে এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ যে প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে, তার পাশেই চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা ওই হামলা চালায়। এর আগে একই বছরের ২ জানুয়ারিও একই বাসায় গুলি চালানো হয়। তখন বাসার জানালার কাচ ও দরজায় গুলি লাগে। ওই ঘটনার পর থেকে বাসাটি পুলিশি পাহারায় ছিল। এরপরও পুনরায় গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কে এই ইমন?

মোবারক হোসেন ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি তিনি। পুলিশের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যে, ইমন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন এবং অস্ত্র ব্যবহারে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসীদের জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তার ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাদের একজন মোবারক হোসেন ইমন। এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকায় ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও মোবারক হোসেন ইমন তার হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন।   জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

দিনদুপুরে সশস্ত্র হামলা: ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি, মাসে ১০ লাখ’—চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব, লুট ৩৫ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা 

তারিখ :১৩ জুলাই ২০২৬ ইং,সময় রাত ০৮:৩২ মিনিট। ছবি সংগৃহীত।

দিনদুপুরে সশস্ত্র হামলা: ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি, মাসে ১০ লাখ’—চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব, লুট ৩৫ লাখ টাকা

চট্টগ্রাম নগরে দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে দিনদুপুরে একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং ৩৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, হামলায় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা জড়িত। হামলার শিকার প্রতিষ্ঠানের মালিক আদিল বিন মামুন জানান, ঘটনার দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ডেভিড ইমন (মোবারক হোসেন ইমন) পরিচয়ে একটি ফোনকল আসে। ফোনে ইমন বলেন, “ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি। মাসে দিবি ১০ লাখ। এখন থেকে ব্যবসা আমরা করবো।” চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আদিল বিন মামুন আরও জানান, মোবাইলে কথোপকথনের সময় ডেভিড ইমন দাবি করেন যে তাকে সবাই চেনে। এমনকি নিজের ছবি পুলিশ কমিশনারকে দেখালে চিনতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি স্মার্ট গ্রুপের মালিক মুজিবুর রহমানের বাসায় চাঁদা না পেয়ে গুলি চালানোর ঘটনাও উল্লেখ করেন এবং আদিল বিন মামুন তাদের চেয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে গেছেন কিনা—সেই প্রশ্নও তোলেন। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। দিনদুপুরে সংঘটিত এ হামলার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ ডিডিএনের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। হামলাকারীরা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একজনকে কুড়াল দিয়ে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ডিডিএনের পরিচালক রিদোয়ানুল কবির বলেন, “হঠাৎ ১৫ থেকে ২০ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। এ সময় কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।” চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, “হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী। তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।” এর আগে, গত ৯ মে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে এক সাংবাদিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। বিপ্লব দে পার্থ নামের ওই সাংবাদিককে এ হুমকি দেন মোবারক হোসেন ইমন। পরে এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ যে প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে, তার পাশেই চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা ওই হামলা চালায়। এর আগে একই বছরের ২ জানুয়ারিও একই বাসায় গুলি চালানো হয়। তখন বাসার জানালার কাচ ও দরজায় গুলি লাগে। ওই ঘটনার পর থেকে বাসাটি পুলিশি পাহারায় ছিল। এরপরও পুনরায় গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কে এই ইমন?

মোবারক হোসেন ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি তিনি। পুলিশের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যে, ইমন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন এবং অস্ত্র ব্যবহারে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসীদের জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তার ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাদের একজন মোবারক হোসেন ইমন। এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকায় ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও মোবারক হোসেন ইমন তার হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন।   জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....