জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ :১৩ জুলাই ২০২৬ ইং,সময় বেলা ০৩:০৫ মিনিট।গাজীপুরে চোলাই মদ তৈরির কারখানার সন্ধান, ১,৫১০ লিটার মদ ও ‘ওয়াশ’ জব্দ
গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন দাখিনখান মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি চোলাই মদ তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি-দক্ষিণ) পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুইজন চিহ্নিতসহ ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই (নিঃ) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ১২ জুলাই ২০২৬ রাতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সৈয়দ মিজানুল ইসলামের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল দাখিনখান মধ্যপাড়ায় জনৈক মোমেন ভূঁইয়ার ভাড়া দেওয়া টিনশেড ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। রাত ১০টা ৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ১২টি প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষিত মোট ৬০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, ২৯টি ড্রামে রাখা প্রায় ১ হাজার ৪৫০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ) এবং চোলাই মদ উৎপাদনে ব্যবহৃত দুটি স্টেইনলেস স্টিলের ট্যাংক জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, জব্দ করা চোলাই মদ ও ‘ওয়াশ’-এর মোট পরিমাণ ১ হাজার ৫১০ লিটার। উদ্ধারকৃত মাদক ও উপকরণের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং উৎপাদন সরঞ্জামের মূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় মো. কামরুজ্জামান মিরাজ (৩৩), মো. রুবেল মিয়া (৩৮) এবং আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন মামলার বাদী এসআই (নিঃ) মো. শফিকুল ইসলাম। ডিবি পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চোলাই মদ উৎপাদন করে গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করে আসছিল। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামত বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।জেটিভি নিউজ বাংলা
দেশ ও দশের কথা বলে....

গাজীপুর প্রতিনিধি 





















