ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা 

জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ ইং, রবিবার সময় :সকাল ১০:৫০ মিনিট। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান বলেছেন, দেশের সমৃদ্ধি ও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে ১৯৭১ সালে যাদের ভূমিকা বিতর্কিত ছিল, তাদের অকপটে সেই দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে ও সমৃদ্ধ করতে চাই। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা এই বিষয়টিকে অকপটে স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে পুরো জাতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তা স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া কষ্টকর। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে তাদের মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রকে ধারণ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় জেনারেল এম এ জি ওসমানী সভাপতিত্ব করেন। ওই সভায় তৎকালীন মেজর জিয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেন। প্রথমটি ছিল—এই যুদ্ধের নাম হবে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ এবং দ্বিতীয়টি ছিল—যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। মন্ত্রী জানান, তেলিয়াপাড়ার সেই ঐতিহাসিক সভার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে নামফলক স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবদান ও ত্যাগের কথাও তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদান করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন, তাদেরও সম্মান জানানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করবে। সম্মানটাই বড় কথা, টাকা বড় বিষয় নয়।”  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা 

জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ ইং, রবিবার সময় :সকাল ১০:৫০ মিনিট। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান বলেছেন, দেশের সমৃদ্ধি ও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে ১৯৭১ সালে যাদের ভূমিকা বিতর্কিত ছিল, তাদের অকপটে সেই দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে ও সমৃদ্ধ করতে চাই। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা এই বিষয়টিকে অকপটে স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে পুরো জাতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তা স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া কষ্টকর। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে তাদের মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রকে ধারণ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় জেনারেল এম এ জি ওসমানী সভাপতিত্ব করেন। ওই সভায় তৎকালীন মেজর জিয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেন। প্রথমটি ছিল—এই যুদ্ধের নাম হবে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ এবং দ্বিতীয়টি ছিল—যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। মন্ত্রী জানান, তেলিয়াপাড়ার সেই ঐতিহাসিক সভার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে নামফলক স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবদান ও ত্যাগের কথাও তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদান করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন, তাদেরও সম্মান জানানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করবে। সম্মানটাই বড় কথা, টাকা বড় বিষয় নয়।”  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....