ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দীপু মনি বললেন, ‘এখন আর জামিন চাই না, বাড়ি যাওয়ার তাড়া ফুরিয়েছে’ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, হইচইয়ে তোপের মুখে সালাহউদ্দিন আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২৯ বার পেছাল, নতুন তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পোশাকবাজারে তন্তুর পরিবর্তন, তুলানির্ভরতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর ৫৪০ কোটি টাকার চার ফ্লাইওভার প্রকল্পে ধীরগতি, বাড়ছে জনদুর্ভোগ রংপুরে চার খুনের পর মহানগর পুলিশ কমিশনার বদলি রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় লাখো মানুষ, বাড়ছে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর সরকার, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী, উদ্ধার-ত্রাণ-পুনর্বাসনে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ইং,সময়:রাত ১০:৩০ মিনিট।

বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী, উদ্ধার-ত্রাণ-পুনর্বাসনে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার

স্টুডিও থেকে: দেশজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তার বিভিন্ন টিমের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন—এই তিনটি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বন্যা ও পাহাড়ধসসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আগামী রবিবার (১২ জুলাই) দেশের সব বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাহদী আমিন বলেন, প্রবল বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলার জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। তিনি জানান, শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার স্থানীয় প্রশাসনের কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জন এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন। বৈঠকে জনগণের পাশে দাঁড়ানো, দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন। মাহদী আমিন আরও জানান, রবিবার দেশের সব বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মাঠ প্রশাসনের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। উদ্ধার কার্যক্রমে ইউএনও, ডিসি, এসপি, ওসি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিটি মন্ত্রণালয় নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং একটি সমন্বিত উদ্যোগের আওতায় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে গিয়ে সরাসরি পরিস্থিতি তদারকি করছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন এবং রাজনৈতিক নেতারাও তৃণমূল পর্যায়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক অনুদান নিশ্চিত করেছেন। দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের কাছে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে এবং যারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে চাল পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নেতাকর্মীদেরও আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ দলের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্থানীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন। মাহদী আমিন বলেন, এক হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কে সমস্যার কারণে যোগাযোগে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও স্থানীয় নেতাকর্মী, সরকার ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতারাও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জনগণের সুরক্ষায় কাজ করছেন। তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পূর্ণ উদ্যমে দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশু খাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগও শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুর্যোগের এই সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দীপু মনি বললেন, ‘এখন আর জামিন চাই না, বাড়ি যাওয়ার তাড়া ফুরিয়েছে’

বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী, উদ্ধার-ত্রাণ-পুনর্বাসনে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার

আপডেট সময় ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ইং,সময়:রাত ১০:৩০ মিনিট।

বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী, উদ্ধার-ত্রাণ-পুনর্বাসনে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার

স্টুডিও থেকে: দেশজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তার বিভিন্ন টিমের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন—এই তিনটি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বন্যা ও পাহাড়ধসসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আগামী রবিবার (১২ জুলাই) দেশের সব বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাহদী আমিন বলেন, প্রবল বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলার জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। তিনি জানান, শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার স্থানীয় প্রশাসনের কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জন এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন। বৈঠকে জনগণের পাশে দাঁড়ানো, দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন। মাহদী আমিন আরও জানান, রবিবার দেশের সব বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মাঠ প্রশাসনের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। উদ্ধার কার্যক্রমে ইউএনও, ডিসি, এসপি, ওসি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিটি মন্ত্রণালয় নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং একটি সমন্বিত উদ্যোগের আওতায় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে গিয়ে সরাসরি পরিস্থিতি তদারকি করছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন এবং রাজনৈতিক নেতারাও তৃণমূল পর্যায়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক অনুদান নিশ্চিত করেছেন। দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের কাছে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে এবং যারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে চাল পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নেতাকর্মীদেরও আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ দলের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্থানীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন। মাহদী আমিন বলেন, এক হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কে সমস্যার কারণে যোগাযোগে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও স্থানীয় নেতাকর্মী, সরকার ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতারাও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জনগণের সুরক্ষায় কাজ করছেন। তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পূর্ণ উদ্যমে দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশু খাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগও শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুর্যোগের এই সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....