জেটিভি নিউজ বাংলা
ছবি সংগৃহিত তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৬ ইং,, মঙ্গলবার,সময় : বিকাল ০৪:০৬ মিনিট।দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন উদ্ভাবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষক ও নির্মাতাদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই দুটি চিকিৎসা যন্ত্রকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা এবং বাজারজাত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন। সভায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। সভায় জানানো হয়, পৃথক দুটি বিশেষজ্ঞ দল দেশীয় প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হলে এসব যন্ত্র দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভেন্টিলেটর মেশিনটি গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম। তাই এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করা হবে। অন্যদিকে হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনটি শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যাজনিত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার উপযোগী। এই যন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই দুটি চিকিৎসা যন্ত্র সফলভাবে উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং দেশের চিকিৎসা খাতে আত্মনির্ভরশীলতা বাড়বে। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ডা. মামুন শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।জেটিভি নিউজ বাংলা
দেশ ও দশের কথা বলে....

স্টাফ রিপোর্টার 





















