ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

ব্যক্তিগত সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬ ইং,ঢাকা | মঙ্গলবার, সময় দুপুর ০২:১২ মিনিট।

ব্যক্তিগত সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সংগ্রাম, দীর্ঘ ধৈর্য এবং নানামুখী প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে আসার স্মৃতিচারণ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশের তরুণ ও সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ অত্যন্ত কঠিন হলেও সরকার যেকোনো মূল্যে তাদের পাশে থাকবে এবং সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের জীবনের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ব্যবসা-বাণিজ্য করেছি। যতটুকু ডিসেন্টভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন, ততটুকুই ব্যবসা করেছি। কারণ আমার জীবনে ব্যবসা শুরু করতে না করতেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে যাই। দুটো জিনিস একসঙ্গে চলে না। কিন্তু বেঁচে থাকতে হবে, সেজন্য যতটুকু ব্যবসা করা প্রয়োজন ততটুকুই করেছি। বাকি সময়টা আমি রাজনীতির জন্য দিয়েছি। আমি ঠিক করে নিয়েছি যে এখানেই আমাকে এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি বলেন, এই পথচলা সহজ ছিল না। “এগিয়ে যেতে একজন মানুষকে অনেক কিছুর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। আমি গিয়েছি; মানসিক নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতন, বিভিন্ন ধরনের হিউমিলিয়েশন (লাঞ্ছনা), ফিজিক্যাল টর্চার এবং যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেক ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তারপর আজ আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমি একটি জায়গায় এসেছি।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণ ও সম্ভাব্য উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যারা নতুন উদ্যোক্তা, সম্ভাব্য উদ্যোক্তা কিংবা কিছু করতে চান, তাদের আমি শুধু একটি কথা বলতে চাই— আপনারা যে কাজটি করতে চাইছেন, সেটি খুব সহজ নয়, বরং অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু ইচ্ছাশক্তি থাকলে অবশ্যই পারবেন। আমি আমার জীবনের ছোট্ট একটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি আপনাদের নিরুৎসাহিত করার জন্য নয়, বরং উৎসাহ দেওয়ার জন্য।” তিনি আরও বলেন, “সংক্ষেপে বলার অর্থ হলো, আপনাদেরও অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আমি বলতে পারি, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি— সাহায্য করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য এবং পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কতটুকু পারব জানি না, কিন্তু যতটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।” দেশের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা উদ্যোক্তা হয়েছেন, হতে চাইছেন কিংবা ইতোমধ্যে সফল হয়ে সমাজ ও দেশের উপকার করছেন— আপনাদের প্রয়োজন শুধু নিজের জন্য নয়, লাখো-কোটি মানুষের জন্য, এই দেশের জন্য।” দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক চীন সফরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি চীনে গিয়েছিলাম। সেখানে একটি ইনোভেশন ইভেন্ট হয়েছিল। আমাদের ছোটবেলার সায়েন্স ফেয়ারের মতো আয়োজন। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেশের নানা প্রান্ত থেকে এসে তাদের বিভিন্ন প্রজেক্ট উপস্থাপন করেছিল।” তিনি আরও বলেন, “কিছুদিন আগে আরেকটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম, যেখানে সারা বাংলাদেশের প্রায় ২২ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলাম।” রাজনীতির মাঠের ক্লান্তি ও হতাশার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি রাজনীতি করি। তাই মাঝে-মধ্যেই হতাশ হয়ে যাই, এখনও অনেক সময় হতাশ লাগে। কিন্তু ওই দুটি ইভেন্টে শিশুদের দেখার পর নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। আর আজ আপনাদের কাজ ও বক্তব্য শুনে সেই আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে।” দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা রাজনীতি করি, আমাদের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা আছে। দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থেকে দেশের প্রতিটি খাত নিয়ে আমরা চিন্তা করি। আজ আপনাদের এবং ওই শিশুদের দেখে আমার মনে হয়েছে, আমরা যদি এই দেশটাকে আরও কিছুটা এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে এমন মানুষের হাতে দেশ তুলে দিতে পারব, যারা সেখান থেকে দেশকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সেই প্রত্যাশা ও দৃঢ় বিশ্বাস আপনাদের ওপর আমার রয়েছে।” — জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

ব্যক্তিগত সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬ ইং,ঢাকা | মঙ্গলবার, সময় দুপুর ০২:১২ মিনিট।

ব্যক্তিগত সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সংগ্রাম, দীর্ঘ ধৈর্য এবং নানামুখী প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে আসার স্মৃতিচারণ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশের তরুণ ও সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ অত্যন্ত কঠিন হলেও সরকার যেকোনো মূল্যে তাদের পাশে থাকবে এবং সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের জীবনের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ব্যবসা-বাণিজ্য করেছি। যতটুকু ডিসেন্টভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন, ততটুকুই ব্যবসা করেছি। কারণ আমার জীবনে ব্যবসা শুরু করতে না করতেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে যাই। দুটো জিনিস একসঙ্গে চলে না। কিন্তু বেঁচে থাকতে হবে, সেজন্য যতটুকু ব্যবসা করা প্রয়োজন ততটুকুই করেছি। বাকি সময়টা আমি রাজনীতির জন্য দিয়েছি। আমি ঠিক করে নিয়েছি যে এখানেই আমাকে এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি বলেন, এই পথচলা সহজ ছিল না। “এগিয়ে যেতে একজন মানুষকে অনেক কিছুর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। আমি গিয়েছি; মানসিক নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতন, বিভিন্ন ধরনের হিউমিলিয়েশন (লাঞ্ছনা), ফিজিক্যাল টর্চার এবং যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেক ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তারপর আজ আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমি একটি জায়গায় এসেছি।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণ ও সম্ভাব্য উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যারা নতুন উদ্যোক্তা, সম্ভাব্য উদ্যোক্তা কিংবা কিছু করতে চান, তাদের আমি শুধু একটি কথা বলতে চাই— আপনারা যে কাজটি করতে চাইছেন, সেটি খুব সহজ নয়, বরং অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু ইচ্ছাশক্তি থাকলে অবশ্যই পারবেন। আমি আমার জীবনের ছোট্ট একটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি আপনাদের নিরুৎসাহিত করার জন্য নয়, বরং উৎসাহ দেওয়ার জন্য।” তিনি আরও বলেন, “সংক্ষেপে বলার অর্থ হলো, আপনাদেরও অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আমি বলতে পারি, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি— সাহায্য করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য এবং পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কতটুকু পারব জানি না, কিন্তু যতটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।” দেশের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা উদ্যোক্তা হয়েছেন, হতে চাইছেন কিংবা ইতোমধ্যে সফল হয়ে সমাজ ও দেশের উপকার করছেন— আপনাদের প্রয়োজন শুধু নিজের জন্য নয়, লাখো-কোটি মানুষের জন্য, এই দেশের জন্য।” দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক চীন সফরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি চীনে গিয়েছিলাম। সেখানে একটি ইনোভেশন ইভেন্ট হয়েছিল। আমাদের ছোটবেলার সায়েন্স ফেয়ারের মতো আয়োজন। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেশের নানা প্রান্ত থেকে এসে তাদের বিভিন্ন প্রজেক্ট উপস্থাপন করেছিল।” তিনি আরও বলেন, “কিছুদিন আগে আরেকটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম, যেখানে সারা বাংলাদেশের প্রায় ২২ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলাম।” রাজনীতির মাঠের ক্লান্তি ও হতাশার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি রাজনীতি করি। তাই মাঝে-মধ্যেই হতাশ হয়ে যাই, এখনও অনেক সময় হতাশ লাগে। কিন্তু ওই দুটি ইভেন্টে শিশুদের দেখার পর নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। আর আজ আপনাদের কাজ ও বক্তব্য শুনে সেই আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে।” দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা রাজনীতি করি, আমাদের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা আছে। দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থেকে দেশের প্রতিটি খাত নিয়ে আমরা চিন্তা করি। আজ আপনাদের এবং ওই শিশুদের দেখে আমার মনে হয়েছে, আমরা যদি এই দেশটাকে আরও কিছুটা এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে এমন মানুষের হাতে দেশ তুলে দিতে পারব, যারা সেখান থেকে দেশকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সেই প্রত্যাশা ও দৃঢ় বিশ্বাস আপনাদের ওপর আমার রয়েছে।” — জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে...