জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ :১৮ জুলাই ২০২৬ ইল,সময় :সকাল ০৯:০৭ মিনিট। ছবি :বাসসপরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বেই রাষ্ট্রের অগ্রগতি সম্ভব: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনায় নিহিত— এমন মন্তব্য করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগেই ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ কর্মসূচির মাধ্যমে জাতির সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও একই ভাষায় দেশবাসীর সামনে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে ‘আপন-ঢাকার’ উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ইমরানুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম, ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেছেন— ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, একই ভাষায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীও জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরছেন।” তিনি আরও বলেন, “একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাকে ও তার দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।” জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা। তিনি উল্লেখ করেন, মহাত্মা ভেগাই হালদারও একই ধরনের মানবিক মূল্যবোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাণী প্রচার করে গেছেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ সব ধরনের বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে। বিভাজনের রাজনীতির কোনও স্থান এই দেশে হবে না।” তিনি আরও বলেন, “যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি কিংবা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে বাংলাদেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কৃতি শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘আপন-ঢাকার’ সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার। জেটিভি নিউজ বাংলাদেশ ও দশের কথা বলে....

ডেস্ক রিপোর্ট 





















