ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সাভারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার অঙ্গীকার খোরশেদ আলমের হাসপাতাল চালুর দাবিতে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে ঘুষের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, নামজারি থেকে মিসকেস—সবখানেই টাকার খেলা; অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে সহকারী নামজারী রহিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ, গোপন ক্যামেরায় মিলেছে নতুন তথ্যের দাবি চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের রায় আজ ব্যাংক লুট করে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই: এস আলম গ্রুপের পুনঃপ্রবেশের আইনি পথ বন্ধ বাজেটে স্বপ্ন দেখানো হয়, পরে সারা বছর সেই স্বপ্নভঙ্গের ফল ভোগ করতে হয়: রুমিন ফারহানা দুস্থ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডও দুদকের মাধ্যমে তদন্তের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

থানা পোড়ানো মাহাদীর আশ্রয় মিললো থানায়

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ ইং,সময়: রাত ১০:২৯ মিনিট।  

থানা পোড়ানো মাহাদীর আশ্রয় মিললো থানায়

হবিগঞ্জে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার চেষ্টার অভিযোগ এনে সদর মডেল থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ শাখার সদস্যসচিব মাহদী হাসান। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জেলা সদরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন। লাইভে মাহদী হাসান দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া দিয়েছেন এবং হামলার চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতি থেকে নিরাপত্তা পেতে তিনি থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানান। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক খান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে পুলিশের একটি জরুরি বৈঠক চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানাবেন। অন্যদিকে, মাহদী হাসানের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, মাহদীর ফেসবুক লাইভে করা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওতে রিকশার পেছনের অংশে কাউকে দেখা যায়নি এবং ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সাজানো নাটক। এর আগে পুলিশ সদস্যকে হুমকি দেওয়া এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন ২১ বছর বয়সী মাহদী হাসান। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন মাহদী। সে সময় সংগঠনের পক্ষে নিয়মিত বক্তব্য দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। একই বছরের জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া এবং নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকার কারণে আরও পরিচিতি পান তিনি। গত ১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ থানা এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে আটক করে। এরপর মাহদী হাসান তার অনুসারীদের নিয়ে থানায় গিয়ে ওই তরুণকে আটকের কারণ জানতে চান পুলিশের কাছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরদিন বানিয়াচংয়ের ‘নাইন মার্ডার’ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।’ অভিযোগ রয়েছে, এমন বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি থানার ওসিকেও হুমকি দেন এবং পরে আটক তরুণকে ছাড়িয়ে আনেন। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিন পেয়ে তিনি মুক্তি লাভ করেন। বর্তমান ঘটনায় মাহদী হাসানের অভিযোগ এবং ছাত্রদলের পাল্টা বক্তব্যকে ঘিরে হবিগঞ্জে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

থানা পোড়ানো মাহাদীর আশ্রয় মিললো থানায়

আপডেট সময় ১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ ইং,সময়: রাত ১০:২৯ মিনিট।  

থানা পোড়ানো মাহাদীর আশ্রয় মিললো থানায়

হবিগঞ্জে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার চেষ্টার অভিযোগ এনে সদর মডেল থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ শাখার সদস্যসচিব মাহদী হাসান। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জেলা সদরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন। লাইভে মাহদী হাসান দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া দিয়েছেন এবং হামলার চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতি থেকে নিরাপত্তা পেতে তিনি থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানান। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক খান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে পুলিশের একটি জরুরি বৈঠক চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানাবেন। অন্যদিকে, মাহদী হাসানের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, মাহদীর ফেসবুক লাইভে করা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওতে রিকশার পেছনের অংশে কাউকে দেখা যায়নি এবং ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সাজানো নাটক। এর আগে পুলিশ সদস্যকে হুমকি দেওয়া এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন ২১ বছর বয়সী মাহদী হাসান। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন মাহদী। সে সময় সংগঠনের পক্ষে নিয়মিত বক্তব্য দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। একই বছরের জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া এবং নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকার কারণে আরও পরিচিতি পান তিনি। গত ১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ থানা এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে আটক করে। এরপর মাহদী হাসান তার অনুসারীদের নিয়ে থানায় গিয়ে ওই তরুণকে আটকের কারণ জানতে চান পুলিশের কাছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরদিন বানিয়াচংয়ের ‘নাইন মার্ডার’ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।’ অভিযোগ রয়েছে, এমন বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি থানার ওসিকেও হুমকি দেন এবং পরে আটক তরুণকে ছাড়িয়ে আনেন। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিন পেয়ে তিনি মুক্তি লাভ করেন। বর্তমান ঘটনায় মাহদী হাসানের অভিযোগ এবং ছাত্রদলের পাল্টা বক্তব্যকে ঘিরে হবিগঞ্জে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....