চারজনকে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি পুলিশের, গ্রেপ্তার ২
জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ ইং,সময় ঃ বেল ০২:৫৭ মিনিট। রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ওরফে জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। রবিবার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছেন তিনি। গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই। পুলিশ কমিশনার জানান, হত্যাকাণ্ডে এই দুজন অংশ নেন। পুলিশ কমিশনার জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। এ সময় শব্দ পেয়ে খালি গায়ে গলায় গামছা নিয়ে ছাদে ওঠেন গণপতি চক্রবর্তী। ওই গামছা দিয়েই তাকে হত্যা করা হয়। শব্দ পেয়ে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠতে যান তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী। তখন ওই দুজন তাকে সিঁড়িতেই হত্যা করেন। পরে শব্দ শুনে ওই দম্পতির মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তি ঘর থেকে বেরিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ কমিশনার জানান, আগামীকে চার-পাঁচ মিনিট ধরে চেষ্টা করেও হত্যা করতে পারছিলেন না ওই দুজন। পরে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। অন্যদিকে, ওই দম্পতির ছেলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুশ চক্রবর্তী পিয়ম যেন হত্যাকারীদের পরিচয় প্রকাশ করে না দেয়, সেজন্য তাকেও মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী পিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে এবং এ ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেটিভি নিউজ বাংলাদেশ ও দশের কথা বলে....

স্টাফ রিপোর্টার 
























