ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে নতুন বিতর্ক, ফাঁস হওয়া অডিওতে কাবিননামা নিয়ে উঠল প্রশ্ন করোনা থেকে জুলাই আন্দোলন: ছয় বছরের শিখন ঘাটতিতে সংকটে শিক্ষা, কোচিং নির্ভরতা বেড়েছে; ২০২৭ সালের পরীক্ষা এগিয়ে আনার উদ্যোগ প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কোচিং না করিয়েই ফি আদায় ও গাইড কেনার চাপ: মোহনগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

 

কোচিং না করিয়েই ফি আদায় ও গাইড কেনার চাপ: মোহনগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

  জেটিভি নিউজ বাংলা | জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০২৫   নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সমাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে কোচিং না পড়িয়েও জোরপূর্বক কোচিং ফি আদায় এবং নির্দিষ্ট কোম্পানির গাইড বই কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে। গত ৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের দশজন শিক্ষার্থী এসব অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেন। অভিযোগ দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধান শিক্ষক গত ৯ ডিসেম্বর চলমান বার্ষিক পরীক্ষার সময় অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের তার কক্ষে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা গেছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা জানান, কোনো ধরণের কোচিং না করিয়েই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৯০০ টাকা করে কোচিং ফি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়া গত জুলাই মাসে ‘লেকচার’ কোম্পানির একটি গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হয় এবং কিনতে অস্বীকৃতি জানালে প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী১২ জন শিক্ষক রয়েছেন। এদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬৫। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, “মামলার আসামিকে যেভাবে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, আমাদের সেভাবেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা শুধু অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি।” অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদার দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের কারণে পরীক্ষার যে সময় নষ্ট হয়েছে তা পরে পূরণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও ধারণের বৈধতা সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, “অভিযোগ তদন্তাধীন। যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক আমেনা খাতুন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কোচিং না করিয়েই ফি আদায় ও গাইড কেনার চাপ: মোহনগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
 

কোচিং না করিয়েই ফি আদায় ও গাইড কেনার চাপ: মোহনগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

  জেটিভি নিউজ বাংলা | জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০২৫   নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সমাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে কোচিং না পড়িয়েও জোরপূর্বক কোচিং ফি আদায় এবং নির্দিষ্ট কোম্পানির গাইড বই কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে। গত ৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের দশজন শিক্ষার্থী এসব অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেন। অভিযোগ দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধান শিক্ষক গত ৯ ডিসেম্বর চলমান বার্ষিক পরীক্ষার সময় অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের তার কক্ষে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা গেছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা জানান, কোনো ধরণের কোচিং না করিয়েই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৯০০ টাকা করে কোচিং ফি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়া গত জুলাই মাসে ‘লেকচার’ কোম্পানির একটি গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হয় এবং কিনতে অস্বীকৃতি জানালে প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী১২ জন শিক্ষক রয়েছেন। এদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬৫। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, “মামলার আসামিকে যেভাবে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, আমাদের সেভাবেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা শুধু অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি।” অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদার দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের কারণে পরীক্ষার যে সময় নষ্ট হয়েছে তা পরে পূরণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও ধারণের বৈধতা সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, “অভিযোগ তদন্তাধীন। যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক আমেনা খাতুন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”