ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
করোনা থেকে জুলাই আন্দোলন: ছয় বছরের শিখন ঘাটতিতে সংকটে শিক্ষা, কোচিং নির্ভরতা বেড়েছে; ২০২৭ সালের পরীক্ষা এগিয়ে আনার উদ্যোগ প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনা থেকে জুলাই আন্দোলন: ছয় বছরের শিখন ঘাটতিতে সংকটে শিক্ষা, কোচিং নির্ভরতা বেড়েছে; ২০২৭ সালের পরীক্ষা এগিয়ে আনার উদ্যোগ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক