ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক