ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক

আপডেট সময় ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫


🟦 JTV News Bangla

প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের নয়, সেনাবাহিনীর— টিআইবি নির্বাহী পরিচালক


স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব মূলত সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে— এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর হাতে শান্তির চাবিকাঠি

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “পার্বত্য অঞ্চল মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারা চাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যে বিভাজন ও শাসন চলছে, তার বাইরে এসে সত্যিকারের অঙ্গীকার দিয়ে উদ্যোগ নিলে তা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে শান্তিরক্ষায় গৌরবজনক ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত। “তাহলে নিজেদের দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা কেন সক্ষম হবে না— এর জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত।”— যোগ করেন তিনি।

সরকার নয়, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সম্ভব

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকারের সহায়তা নয়, নিজেদের উদ্যোগেই সেনাবাহিনী চাইলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরের সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “সেই সময় পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ সেনাবাহিনীর ওপর এটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। সেনাবাহিনী চাইলে এই সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।”

টিআইবির প্রতিবেদন 

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। উপস্থিত ছিলেন—
  • টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  • পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান
  • পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম
  • জেটিভি নিউজ বাংলা — সত্যের পক্ষে নির্ভীক