বহু দল ঘুরে রেজা কিবরিয়ার গন্তব্য বিএনপি: ‘এই দলে যোগ দিতে পেরে গর্বিত’
জেটিভি নিউজ বাংলা | বিশেষ রিপোর্ট
ছবি, সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া কয়েক দফা রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের পর অবশেষে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে তিনি দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রেজা কিবরিয়া জানান, বিএনপিতে আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত গর্বিত। তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপিতে আজকে ফরমালি জয়েন করলাম। এই দলটার ইতিহাসটাই হলো গণতন্ত্রের ইতিহাস। দুইবার তারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের হাত থেকে গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছে।’ তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের সময় গণতন্ত্র ধ্বংসের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তা পুনরুদ্ধার করেছিলেন। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা-জেনারেল এরশাদের সময় গণতন্ত্র সংকটে পড়লে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তা রক্ষা করেন। ‘একটা দল দুইবার বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষা করেছে—বিশ্ব ইতিহাসেও এর উদাহরণ খুব কম,’ মন্তব্য করেন রেজা কিবরিয়া। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিজের রাজনৈতিক আদর্শ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উনার সাহস, ব্যক্তিগত চরিত্র, সততা—সবকিছু নিয়ে আজও মানুষ গর্ব করে। গ্রামের মানুষ এখনো উনার কথা বলে। এমন মানুষ হয়তো আর জন্মাবে না।’ বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি আস্থা জানিয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘বিএনপির সিনিয়র নেতারা এবং আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। তারেক রহমানের রক্তের গুণগত মান—এটা বাংলাদেশে কারও নেই।’ তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা দুঃখজনক হলেও একদিক থেকে লাভও আছে। তিনি বিদেশের ভালো প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা শিখছেন, যা দেশে প্রয়োগ করা যাবে।’ দেশকে উন্নত করতে বিএনপির সক্ষমতার প্রসঙ্গে রেজা কিবরিয়া দাবি করেন, ‘বাংলাদেশকে এশিয়ার প্রথম তিন দেশের কাতারে নেওয়া অসম্ভব নয়। আমি ৩৫ দেশে কাজ করেছি, ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—বাংলাদেশের মানুষের কোয়ালিটি টপ ক্লাস।’ নবীগঞ্জ–বাহুবল এলাকায় নিজের রাজনৈতিক কাজের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ সুযোগ দিলে তিনি উন্নয়নমূলক কাজ করতে আগ্রহী। তিনি আরও জানান, দেশের জন্য কাজ করতেই আইএমএফের লাভজনক চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরেছেন। ‘এটা ছিল আমার বাবার স্বপ্ন, আমি আশা করি সেটি পূরণ করতে পারব।

Reporter Name 




















