ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

পুরান ঢাকায় কোনও রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

 

পুরান ঢাকায় কোনও রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন—পুরান ঢাকার কোনও রাসায়নিক গুদামে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় নতুন লাইসেন্স ইস্যু করা হচ্ছে না এবং পূর্বের সব লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে বাংলা ট্রিবিউন ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত ‘শিল্প খাতে অগ্নি ও রাসায়নিক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান।   তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “অনেকে বলে পুরান ঢাকায় ২ হাজার ৫০০ রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স আছে—এটা ভুল। পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা এই লাইসেন্স প্রদান বন্ধ রেখেছি। আমি তিন বছর ধরে দায়িত্বে আছি—আমার সময়ে কোনও লাইসেন্স বা নবায়ন হয়নি। পুরনো সব লাইসেন্স বাতিল। আবাসিক এলাকায় থাকা এসব কেমিক্যাল গোডাউনের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের আর কোনও সম্পৃক্ততা নেই।”

তিনি জানান, আটটি ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে ফায়ার রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। “আবাসিক এলাকায় কোনো ধরনের কেমিক্যাল গোডাউন বা শিল্পকারখানা থাকতে পারে না। এটি কমিউনিটির জন্য বিপজ্জনক,”—বলেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের এই পরিচালক জানান, সারা দেশে ইন্সপেক্টর রয়েছেন মাত্র ২৬৮ জন, যা বিশাল এলাকাজুড়ে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ‘খুবই অপ্রতুল’। শনিবারে প্রতিটি স্টেশনই নিয়মিত টোপোগ্রাফি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অবৈধ গুদাম উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন— “আমাদের নিজের ম্যাজিস্ট্রেট নেই। জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর নির্ভর করতে হয়। এজন্য নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সম্ভব হয় না।”

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহমেদ খান, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মেহেদী আনসারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শ্রম খাত ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে গোলটেবিল বৈঠকটি সরাসরি প্রচার করা হয়।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

পুরান ঢাকায় কোনও রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস

আপডেট সময় ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
 

পুরান ঢাকায় কোনও রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই: ফায়ার সার্ভিস

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন—পুরান ঢাকার কোনও রাসায়নিক গুদামে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় নতুন লাইসেন্স ইস্যু করা হচ্ছে না এবং পূর্বের সব লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে বাংলা ট্রিবিউন ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত ‘শিল্প খাতে অগ্নি ও রাসায়নিক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান।   তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “অনেকে বলে পুরান ঢাকায় ২ হাজার ৫০০ রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স আছে—এটা ভুল। পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা এই লাইসেন্স প্রদান বন্ধ রেখেছি। আমি তিন বছর ধরে দায়িত্বে আছি—আমার সময়ে কোনও লাইসেন্স বা নবায়ন হয়নি। পুরনো সব লাইসেন্স বাতিল। আবাসিক এলাকায় থাকা এসব কেমিক্যাল গোডাউনের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের আর কোনও সম্পৃক্ততা নেই।”

তিনি জানান, আটটি ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে ফায়ার রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। “আবাসিক এলাকায় কোনো ধরনের কেমিক্যাল গোডাউন বা শিল্পকারখানা থাকতে পারে না। এটি কমিউনিটির জন্য বিপজ্জনক,”—বলেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের এই পরিচালক জানান, সারা দেশে ইন্সপেক্টর রয়েছেন মাত্র ২৬৮ জন, যা বিশাল এলাকাজুড়ে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ‘খুবই অপ্রতুল’। শনিবারে প্রতিটি স্টেশনই নিয়মিত টোপোগ্রাফি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অবৈধ গুদাম উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন— “আমাদের নিজের ম্যাজিস্ট্রেট নেই। জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর নির্ভর করতে হয়। এজন্য নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সম্ভব হয় না।”

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহমেদ খান, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মেহেদী আনসারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শ্রম খাত ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে গোলটেবিল বৈঠকটি সরাসরি প্রচার করা হয়।