ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, আত্মসমর্পণ দুই জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় হত্যা চেষ্টা মামলায় মমতাজ বেগমকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ৫,৪৮২ টাকা; রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রত্যাশা বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারের অর্থ প্রেরণ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি ক্রয়ে ৪৬ মার্কিন কোম্পানির পণ্য কেনায় নিষেধাজ্ঞা দিল চীন সিলেট ডিসির বদলির সঙ্গে মাজার ইস্যুর কোনো সম্পর্ক নেই: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সংসদে,  মসজিদে রাজনীতি, জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ও মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে তুমুল আলোচনা সাভার এলজিইডিতে দুর্নীতির ‘সিন্ডিকেট’ অভিযোগ: ১৮ বছর একই কার্যালয়ে অ্যাকাউন্টেন্ট,নিম্নমানের কাজ নিয়ে ক্ষোভ মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে সহপাঠী

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বদলে যাচ্ছে চীনের জুঁই শিল্প, উৎপাদন ও বাজারে আসছে নতুন সম্ভাবনা

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬ ইং,সময়: সকাল ১১:০৩ মিনিট।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বদলে যাচ্ছে চীনের জুঁই শিল্প, উৎপাদন ও বাজারে আসছে নতুন সম্ভাবনা

চীনের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের পর ফুলের গুণগত মান ও বাজারদর নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন জুঁইচাষিরা। তবে তাদের জন্য আশার বার্তা হয়ে এসেছে আধুনিক আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা। চীনের বৃহত্তম জুঁই উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কুয়াংসি চুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেংচৌ শহর এখন আবহাওয়াভিত্তিক সেবা ব্যবহার করে জুঁই শিল্পকে আরও টেকসই ও লাভজনক করে তুলছে। মে মাসের শেষ দিকে হেংচৌর বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শুরু হয় জুঁই ফুল সংগ্রহের মৌসুম। সুগন্ধি ও চা শিল্পে বহুল ব্যবহৃত এই ফুল আবহাওয়ার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ফুলের সুগন্ধ কমিয়ে দেয় এবং গুণগত মান নষ্ট করে। অন্যদিকে খরা ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা কুঁড়ির স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করে উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ৬৬৭ হেক্টর আয়তনের জুঁই বাগান ‘চাইনিজ জেসমিন গার্ডেন’-এর ব্যবস্থাপক উ চিফু বলেন, জুঁই চাষ পুরোপুরি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। রোদেলা দিনে ফুলের সুগন্ধ বেশি থাকে এবং বাজারমূল্যও ভালো পাওয়া যায়। তবে টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাব বাজারদরে স্পষ্টভাবে পড়ে। পরপর তিন দিন বৃষ্টি না হলে ফুলের ক্রয়মূল্য বেড়ে যায়। বর্তমানে হেংচৌতে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে জুঁই চাষ করা হয়। বছরে এখানে ১ লাখ ৫০ হাজার টনেরও বেশি তাজা জুঁই ফুল উৎপাদিত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই শিল্পের বার্ষিক উৎপাদনমূল্য ২৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি। প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষের জীবিকা সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় জুঁই শিল্পসেবা কেন্দ্রের কর্মকর্তা হুয়াং ইয়াচি জানান, বিশ্বে উৎপাদিত প্রতি ১০টি জুঁই ফুলের মধ্যে প্রায় ৬টিই হেংচৌতে উৎপাদিত হয়। এখানকার জুঁইভিত্তিক পণ্য জাপান, মরক্কো, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রপ্তানি করা হয়। আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উ চিফু বলেন, শুষ্ক মৌসুমে সময়মতো বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া গেলে প্রতি হেক্টরে অন্তত ১ হাজার ৫০০ ইউয়ান পর্যন্ত সেচ ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সেচের কারণে মাটিক্ষয় ও গাছের শিকড়ের ক্ষতির ঝুঁকিও কমে আসে। শুধু চাষিরাই নন, আবহাওয়ার প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও বাজারসংশ্লিষ্টরাও। কুয়াংসি চিনেং মডার্ন এগ্রিকালচারের পরিচালিত জুঁই-সুগন্ধি পণ্য শিল্পপার্ক ‘সিয়াংসিয়াং গার্ডেন’-এর মহাব্যবস্থাপক উ ইয়ুমিং বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে ফুলের গুণগত মান ও উৎপাদন কমে গেলে কাঁচামালের দাম বেড়ে যায়। এছাড়া জুঁই তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফুলের সতেজতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর উচ্চ তাপমাত্রা পরিবহনজনিত ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকাল জুঁইজাত পণ্যের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়। কিন্তু টানা ভারী বৃষ্টিতে কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিলে পণ্যের দামও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগাম কাঁচামাল মজুত এবং উৎপাদন পরিকল্পনা তৈরি করছে। জুঁই শিল্পকে আরও কার্যকর সহায়তা দিতে হেংচৌ এবং কুয়াংসির রাজধানী নাননিংয়ের আবহাওয়া বিভাগ যৌথভাবে একটি ডিজিটাল জুঁই প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস ব্যবস্থা সংযুক্ত করেছে। এই প্ল্যাটফর্মে স্থলভিত্তিক আবহাওয়া কেন্দ্র, রাডার এবং সংখ্যাতাত্ত্বিক পূর্বাভাস মডেলের তথ্য একত্রিত করা হয়। এর মাধ্যমে কৃষক ও চা উৎপাদকদের মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক আবহাওয়া তথ্য, সতর্কবার্তা এবং কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। হেংচৌ আবহাওয়া ব্যুরোর প্রধান কনা লি জানান, জুঁই ফুলের জন্য বিশেষভাবে ঝড়বৃষ্টি-ঝুঁকি পূর্বাভাস ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। আগের দিনের বৃষ্টিপাতের তথ্য, বর্তমান পরিস্থিতি এবং পরবর্তী দিনের পূর্বাভাস একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে ফুল সংগ্রহ ও বাজারদরের সম্ভাব্য ঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়। তিনি আরও জানান, ২০২৫ সাল থেকে খরা মোকাবিলা এবং জুঁই বাগানের মাটির আর্দ্রতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ২৪ বার কৃত্রিম বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। কনা লি বলেন, আরও বুদ্ধিমান ও নির্ভুল প্রযুক্তির মাধ্যমে আবহাওয়া সেবাকে ডিজিটাল জুঁই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যতেও এই শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
সূত্র: সিএমজি
 

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, আত্মসমর্পণ দুই

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বদলে যাচ্ছে চীনের জুঁই শিল্প, উৎপাদন ও বাজারে আসছে নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬ ইং,সময়: সকাল ১১:০৩ মিনিট।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বদলে যাচ্ছে চীনের জুঁই শিল্প, উৎপাদন ও বাজারে আসছে নতুন সম্ভাবনা

চীনের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের পর ফুলের গুণগত মান ও বাজারদর নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন জুঁইচাষিরা। তবে তাদের জন্য আশার বার্তা হয়ে এসেছে আধুনিক আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা। চীনের বৃহত্তম জুঁই উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কুয়াংসি চুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেংচৌ শহর এখন আবহাওয়াভিত্তিক সেবা ব্যবহার করে জুঁই শিল্পকে আরও টেকসই ও লাভজনক করে তুলছে। মে মাসের শেষ দিকে হেংচৌর বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শুরু হয় জুঁই ফুল সংগ্রহের মৌসুম। সুগন্ধি ও চা শিল্পে বহুল ব্যবহৃত এই ফুল আবহাওয়ার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ফুলের সুগন্ধ কমিয়ে দেয় এবং গুণগত মান নষ্ট করে। অন্যদিকে খরা ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা কুঁড়ির স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করে উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ৬৬৭ হেক্টর আয়তনের জুঁই বাগান ‘চাইনিজ জেসমিন গার্ডেন’-এর ব্যবস্থাপক উ চিফু বলেন, জুঁই চাষ পুরোপুরি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। রোদেলা দিনে ফুলের সুগন্ধ বেশি থাকে এবং বাজারমূল্যও ভালো পাওয়া যায়। তবে টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাব বাজারদরে স্পষ্টভাবে পড়ে। পরপর তিন দিন বৃষ্টি না হলে ফুলের ক্রয়মূল্য বেড়ে যায়। বর্তমানে হেংচৌতে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে জুঁই চাষ করা হয়। বছরে এখানে ১ লাখ ৫০ হাজার টনেরও বেশি তাজা জুঁই ফুল উৎপাদিত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই শিল্পের বার্ষিক উৎপাদনমূল্য ২৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি। প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষের জীবিকা সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় জুঁই শিল্পসেবা কেন্দ্রের কর্মকর্তা হুয়াং ইয়াচি জানান, বিশ্বে উৎপাদিত প্রতি ১০টি জুঁই ফুলের মধ্যে প্রায় ৬টিই হেংচৌতে উৎপাদিত হয়। এখানকার জুঁইভিত্তিক পণ্য জাপান, মরক্কো, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রপ্তানি করা হয়। আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উ চিফু বলেন, শুষ্ক মৌসুমে সময়মতো বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া গেলে প্রতি হেক্টরে অন্তত ১ হাজার ৫০০ ইউয়ান পর্যন্ত সেচ ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সেচের কারণে মাটিক্ষয় ও গাছের শিকড়ের ক্ষতির ঝুঁকিও কমে আসে। শুধু চাষিরাই নন, আবহাওয়ার প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও বাজারসংশ্লিষ্টরাও। কুয়াংসি চিনেং মডার্ন এগ্রিকালচারের পরিচালিত জুঁই-সুগন্ধি পণ্য শিল্পপার্ক ‘সিয়াংসিয়াং গার্ডেন’-এর মহাব্যবস্থাপক উ ইয়ুমিং বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে ফুলের গুণগত মান ও উৎপাদন কমে গেলে কাঁচামালের দাম বেড়ে যায়। এছাড়া জুঁই তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফুলের সতেজতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর উচ্চ তাপমাত্রা পরিবহনজনিত ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকাল জুঁইজাত পণ্যের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়। কিন্তু টানা ভারী বৃষ্টিতে কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিলে পণ্যের দামও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগাম কাঁচামাল মজুত এবং উৎপাদন পরিকল্পনা তৈরি করছে। জুঁই শিল্পকে আরও কার্যকর সহায়তা দিতে হেংচৌ এবং কুয়াংসির রাজধানী নাননিংয়ের আবহাওয়া বিভাগ যৌথভাবে একটি ডিজিটাল জুঁই প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস ব্যবস্থা সংযুক্ত করেছে। এই প্ল্যাটফর্মে স্থলভিত্তিক আবহাওয়া কেন্দ্র, রাডার এবং সংখ্যাতাত্ত্বিক পূর্বাভাস মডেলের তথ্য একত্রিত করা হয়। এর মাধ্যমে কৃষক ও চা উৎপাদকদের মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক আবহাওয়া তথ্য, সতর্কবার্তা এবং কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। হেংচৌ আবহাওয়া ব্যুরোর প্রধান কনা লি জানান, জুঁই ফুলের জন্য বিশেষভাবে ঝড়বৃষ্টি-ঝুঁকি পূর্বাভাস ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। আগের দিনের বৃষ্টিপাতের তথ্য, বর্তমান পরিস্থিতি এবং পরবর্তী দিনের পূর্বাভাস একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে ফুল সংগ্রহ ও বাজারদরের সম্ভাব্য ঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়। তিনি আরও জানান, ২০২৫ সাল থেকে খরা মোকাবিলা এবং জুঁই বাগানের মাটির আর্দ্রতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ২৪ বার কৃত্রিম বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। কনা লি বলেন, আরও বুদ্ধিমান ও নির্ভুল প্রযুক্তির মাধ্যমে আবহাওয়া সেবাকে ডিজিটাল জুঁই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যতেও এই শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
সূত্র: সিএমজি
 

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....