ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, আত্মসমর্পণ দুই জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় হত্যা চেষ্টা মামলায় মমতাজ বেগমকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ৫,৪৮২ টাকা; রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রত্যাশা বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারের অর্থ প্রেরণ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি ক্রয়ে ৪৬ মার্কিন কোম্পানির পণ্য কেনায় নিষেধাজ্ঞা দিল চীন সিলেট ডিসির বদলির সঙ্গে মাজার ইস্যুর কোনো সম্পর্ক নেই: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সংসদে,  মসজিদে রাজনীতি, জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ও মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে তুমুল আলোচনা সাভার এলজিইডিতে দুর্নীতির ‘সিন্ডিকেট’ অভিযোগ: ১৮ বছর একই কার্যালয়ে অ্যাকাউন্টেন্ট,নিম্নমানের কাজ নিয়ে ক্ষোভ মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে সহপাঠী

আদিতমারীতে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: হত্যার অভিযোগে বাবা-ছেলেসহ গ্রেফতার ২, ওসি প্রত্যাহার

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬ ইং, মঙ্গলবার সময়: সন্ধ্যা ৭:৪৭ মিনিট।

আদিতমারীতে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: হত্যার অভিযোগে বাবা-ছেলেসহ গ্রেফতার ২, ওসি প্রত্যাহার

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর সাত বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন—একই গ্রামের রণজিৎ কুমার ও তার ছেলে বিধান চন্দ্র রায় (২২)। একইসঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, শিশুটির পরিবারের অভিযোগ এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “উদ্ভূত পরিস্থিতি ও শিশুটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শিশু হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” এর আগে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের একটি গ্রামের ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শিশু স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে যায় শিশুটি। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা রাতভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কয়েকজন একটি ভুট্টাক্ষেতে কিছু গাছ ভাঙা এবং কাঁচা মাটি দেখে সন্দেহ করেন। পরে সেখানে একটি গর্তের ভেতর বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া রয়েছে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমবার সন্ধ্যায় একই গ্রামের বিধান চন্দ্র রায়কে ওই ভুট্টাক্ষেত থেকে কোদাল হাতে ফিরতে দেখেছিলেন এক প্রতিবেশী। এ ঘটনার পর তাকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মাদকাসক্ত বিধান শিশুটিকে ফুসলিয়ে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যান এবং ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে গ্রেফতার এড়াতে বিধান ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে ভেতরে আত্মগোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে হামলা চালায়। পরে ঘরের তালা ভেঙে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিধানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। কিন্তু উত্তেজিত স্থানীয়রা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই বিচার করার দাবি জানায়। পুলিশ তাতে অস্বীকৃতি জানালে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি নিজেই সকাল থেকে ঘটনাস্থলে ছিলাম। জনতার ছোড়া ইটের আঘাতে আমিও আহত হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে হয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং আমাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।” পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় জেলা পুলিশ সুপার, আদিতমারী থানার ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধরা জেলা প্রশাসকের গাড়িসহ প্রশাসনের অন্তত সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। শিশুর বাবার অভিযোগ, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় তারা থানায় গেলে পুলিশ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। তারা ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও ওসি তা গ্রহণ করেননি এবং আরও বেশি টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। মূলত এসব কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন বলে দাবি পরিবারের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে একজনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িবহর ঘটনাস্থলে গেলে সেগুলোও ভাঙচুর করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ ও অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, আত্মসমর্পণ দুই

আদিতমারীতে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: হত্যার অভিযোগে বাবা-ছেলেসহ গ্রেফতার ২, ওসি প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬ ইং, মঙ্গলবার সময়: সন্ধ্যা ৭:৪৭ মিনিট।

আদিতমারীতে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: হত্যার অভিযোগে বাবা-ছেলেসহ গ্রেফতার ২, ওসি প্রত্যাহার

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর সাত বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন—একই গ্রামের রণজিৎ কুমার ও তার ছেলে বিধান চন্দ্র রায় (২২)। একইসঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, শিশুটির পরিবারের অভিযোগ এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “উদ্ভূত পরিস্থিতি ও শিশুটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শিশু হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” এর আগে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের একটি গ্রামের ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শিশু স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে যায় শিশুটি। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা রাতভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কয়েকজন একটি ভুট্টাক্ষেতে কিছু গাছ ভাঙা এবং কাঁচা মাটি দেখে সন্দেহ করেন। পরে সেখানে একটি গর্তের ভেতর বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া রয়েছে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমবার সন্ধ্যায় একই গ্রামের বিধান চন্দ্র রায়কে ওই ভুট্টাক্ষেত থেকে কোদাল হাতে ফিরতে দেখেছিলেন এক প্রতিবেশী। এ ঘটনার পর তাকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মাদকাসক্ত বিধান শিশুটিকে ফুসলিয়ে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যান এবং ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে গ্রেফতার এড়াতে বিধান ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে ভেতরে আত্মগোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে হামলা চালায়। পরে ঘরের তালা ভেঙে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিধানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। কিন্তু উত্তেজিত স্থানীয়রা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই বিচার করার দাবি জানায়। পুলিশ তাতে অস্বীকৃতি জানালে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি নিজেই সকাল থেকে ঘটনাস্থলে ছিলাম। জনতার ছোড়া ইটের আঘাতে আমিও আহত হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে হয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং আমাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।” পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় জেলা পুলিশ সুপার, আদিতমারী থানার ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধরা জেলা প্রশাসকের গাড়িসহ প্রশাসনের অন্তত সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। শিশুর বাবার অভিযোগ, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় তারা থানায় গেলে পুলিশ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। তারা ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও ওসি তা গ্রহণ করেননি এবং আরও বেশি টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। মূলত এসব কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন বলে দাবি পরিবারের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে একজনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িবহর ঘটনাস্থলে গেলে সেগুলোও ভাঙচুর করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ ও অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....