ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক, পুনর্বিবেচনার দাবি দুই সংগঠনের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ১১:২৫ মিনিট। 

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক, পুনর্বিবেচনার দাবি দুই সংগঠনের

দেশে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা নতুন নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে পোশাকে পরিবর্তন আনার পর এবার নতুন করে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান পরিচয় নিয়েও আলোচনা জোরদার হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বর্তমান ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার দাবি জানালে বিষয়টি আবার সামনে আসে। এর আগে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন একই ধরনের দাবি তোলে। প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি কেবল বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ, নাকি এর পেছনে রয়েছে আর্থিক চাপ, ক্রয়-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা কিংবা কৌশলগত বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা? ইতিহাস ও পরিবর্তনের ধারা স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে খাকি রঙের পোশাক থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে নীল রঙ করা হয়। সময়ের সঙ্গে ব্যাজ, লোগো ও মনোগ্রামেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ট্রাফিক, শিল্পাঞ্চল, ট্যুরিস্ট পুলিশ, এপিবিএন ও এসপিবিএনের মতো বিশেষায়িত ইউনিটের জন্য আলাদা নকশা ও রঙের পোশাক চালু রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানে উত্তরণ, পেশাদার ইমেজ গঠন এবং নতুন সরকারের বার্তা দেওয়ার কৌশল হিসেবেও ইউনিফর্ম পরিবর্তনকে দেখা হয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, কেবল বাহ্যিক রূপান্তর জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট নয়—আচরণ, জবাবদিহি ও পেশাদারত্বই মূল বিষয়। ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে সোয়া দুই লক্ষাধিক সদস্য কর্মরত। প্রত্যেকের জন্য গড়ে দুই থেকে তিন সেট ইউনিফর্ম প্রয়োজন হয়। প্রতি সেটে আনুমানিক ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হলে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় ব্যাজ, টুপি, বেল্ট, জুতা, গুদামজাতকরণ ও সরবরাহ ব্যয়। পুরোনো পোশাক নিলামে বিক্রি হলেও সরকারি ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অতীতে নানা অভিযোগ উঠেছে। ফলে আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্নও আলোচনায় এসেছে। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অনেক সদস্যের অভিযোগ, নতুন পোশাকে সঠিক মাপ না পাওয়া, কাপড়ের নিম্নমান এবং দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। জুতার মান নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। তাদের মতে, রঙ বা ডিজাইন পরিবর্তনের চেয়ে কাপড়ের মান, আরামদায়কতা এবং দেশের আবহাওয়ার উপযোগিতা নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরামদায়ক ইউনিফর্ম অত্যন্ত জরুরি। সংগঠনগুলোর বক্তব্য বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমান ইউনিফর্ম প্রত্যাশিত গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশের পোশাক কেবল আনুষ্ঠানিক পরিধান নয়—এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব, জনআস্থা ও পেশাগত মর্যাদার প্রতীক। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেশের আবহাওয়া, সদস্যদের মতামত ও দৃশ্যমানতার বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। একই দাবিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ডাবলু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতেও বর্তমান ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। সরকারের প্রতিক্রিয়া বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি দাবির বিষয়ে অবহিত; তবে এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে রাজি নন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি পরে জানাবেন বলে মন্তব্য এড়িয়ে যান। ইউনিফর্ম একটি বাহিনীর পরিচয়, ঐতিহ্য ও কর্তৃত্বের প্রতীক। তবে বারবার পরিবর্তন একদিকে যেমন আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে, অন্যদিকে বাহিনীর স্থিতিশীল ব্র্যান্ড ইমেজেও প্রভাব ফেলতে পারে। পোশাক পরিবর্তন কি বাস্তব প্রয়োজন, নাকি প্রতীকী বার্তা—এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে নীতিনির্ধারকদের স্বচ্ছতা, ব্যয়ের যুক্তিসংগততা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চাহিদার ওপর। জনআস্থা অর্জনে শেষ পর্যন্ত আচরণ ও পেশাদারিত্বই হবে প্রধান মানদণ্ড।     জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক, পুনর্বিবেচনার দাবি দুই সংগঠনের

আপডেট সময় ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ১১:২৫ মিনিট। 

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক, পুনর্বিবেচনার দাবি দুই সংগঠনের

দেশে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা নতুন নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে পোশাকে পরিবর্তন আনার পর এবার নতুন করে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান পরিচয় নিয়েও আলোচনা জোরদার হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বর্তমান ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার দাবি জানালে বিষয়টি আবার সামনে আসে। এর আগে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন একই ধরনের দাবি তোলে। প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি কেবল বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ, নাকি এর পেছনে রয়েছে আর্থিক চাপ, ক্রয়-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা কিংবা কৌশলগত বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা? ইতিহাস ও পরিবর্তনের ধারা স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে খাকি রঙের পোশাক থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে নীল রঙ করা হয়। সময়ের সঙ্গে ব্যাজ, লোগো ও মনোগ্রামেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ট্রাফিক, শিল্পাঞ্চল, ট্যুরিস্ট পুলিশ, এপিবিএন ও এসপিবিএনের মতো বিশেষায়িত ইউনিটের জন্য আলাদা নকশা ও রঙের পোশাক চালু রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানে উত্তরণ, পেশাদার ইমেজ গঠন এবং নতুন সরকারের বার্তা দেওয়ার কৌশল হিসেবেও ইউনিফর্ম পরিবর্তনকে দেখা হয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, কেবল বাহ্যিক রূপান্তর জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট নয়—আচরণ, জবাবদিহি ও পেশাদারত্বই মূল বিষয়। ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে সোয়া দুই লক্ষাধিক সদস্য কর্মরত। প্রত্যেকের জন্য গড়ে দুই থেকে তিন সেট ইউনিফর্ম প্রয়োজন হয়। প্রতি সেটে আনুমানিক ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হলে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় ব্যাজ, টুপি, বেল্ট, জুতা, গুদামজাতকরণ ও সরবরাহ ব্যয়। পুরোনো পোশাক নিলামে বিক্রি হলেও সরকারি ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অতীতে নানা অভিযোগ উঠেছে। ফলে আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্নও আলোচনায় এসেছে। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অনেক সদস্যের অভিযোগ, নতুন পোশাকে সঠিক মাপ না পাওয়া, কাপড়ের নিম্নমান এবং দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। জুতার মান নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। তাদের মতে, রঙ বা ডিজাইন পরিবর্তনের চেয়ে কাপড়ের মান, আরামদায়কতা এবং দেশের আবহাওয়ার উপযোগিতা নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরামদায়ক ইউনিফর্ম অত্যন্ত জরুরি। সংগঠনগুলোর বক্তব্য বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমান ইউনিফর্ম প্রত্যাশিত গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশের পোশাক কেবল আনুষ্ঠানিক পরিধান নয়—এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব, জনআস্থা ও পেশাগত মর্যাদার প্রতীক। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেশের আবহাওয়া, সদস্যদের মতামত ও দৃশ্যমানতার বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। একই দাবিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ডাবলু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতেও বর্তমান ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। সরকারের প্রতিক্রিয়া বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি দাবির বিষয়ে অবহিত; তবে এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে রাজি নন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি পরে জানাবেন বলে মন্তব্য এড়িয়ে যান। ইউনিফর্ম একটি বাহিনীর পরিচয়, ঐতিহ্য ও কর্তৃত্বের প্রতীক। তবে বারবার পরিবর্তন একদিকে যেমন আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে, অন্যদিকে বাহিনীর স্থিতিশীল ব্র্যান্ড ইমেজেও প্রভাব ফেলতে পারে। পোশাক পরিবর্তন কি বাস্তব প্রয়োজন, নাকি প্রতীকী বার্তা—এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে নীতিনির্ধারকদের স্বচ্ছতা, ব্যয়ের যুক্তিসংগততা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চাহিদার ওপর। জনআস্থা অর্জনে শেষ পর্যন্ত আচরণ ও পেশাদারিত্বই হবে প্রধান মানদণ্ড।     জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....