হাউজ: জেটিভি নিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়: ১:১৫ পিএম।
নির্বাচনকালীন মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন সীমিত করার প্রস্তুতি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর থাকবে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই সময় বিকাশ, রকেট, নগদসহ সব এমএফএসে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন এবং প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা থাকবে এক হাজার টাকা। বর্তমানে এমএফএস গ্রাহকেরা দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন।
নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যাংকের অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা স্থানান্তর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এই সেবায় ব্যক্তি গ্রাহকরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রস্তাবনা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমার অঙ্ক সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, “নির্বাচন কমিশনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ লেনদেন সীমিত করার বিষয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।”
এছাড়া নগদ টাকা জমা ও উত্তোলনের ওপরও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো হিসাবে এক দিনে এক বা একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা বা উত্তোলন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিএফআইইউতে নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (সিটিআর) দাখিল করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবেদন সাপ্তাহিক ভিত্তিতে জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, সিটিআরে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যত্যয় ঘটলে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...