প্রিন্ট ভার্সন হাউজ: জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশ সময়: ১২:৫৫ পিএম
চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপি ও জামায়াতের দ্বন্দ্ব তীব্র হচ্ছে।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এই আসনটি জামায়াতে ইসলামী তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবু নাছের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, এনসিপির প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফ শাপলা কলি প্রতীকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১১ দলীয় জোটের জোটবিরোধী আচরণের অভিযোগে এনসিপি সেখানে জামায়াত সমর্থিত অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণা স্থগিত করেছে। শনিবার বিকেলে আনোয়ারার কালাবিবির দিঘির রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা জানান, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জুবাইরুল হাসান আরিফকে প্রার্থী করা হলেও জামায়াতের প্রার্থী আবু নাছের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে নিজ সমর্থকদের সঙ্গে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় অভিযোগের পরও কোনও সমাধান না হওয়ায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জোটের জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা স্থগিত করা হয়েছে।
গত ২০ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত ১০ দলীয় জোটের আসনবন্টনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপির জুবাইরুল হাসান আরিফকে প্রার্থী করা হয়। মনোনয়ন বাছাইয়ের দিনে আবু নাছের, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ ও জুবাইরুল হাসান আরিফ বৈধ প্রার্থী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। খেলাফত মজলিস প্রার্থী পরে প্রত্যাহার করলেও আবু নাছের সময়মতো করতে পারেননি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দে আবু নাছের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পান।
এরপর থেকে জামায়াত সমর্থকরা প্রতিদিন প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম মহানগরে জামায়াত আমির আগমনের সময় আবু নাছের স্বাগত মিছিলে নেতৃত্ব দেন। সমর্থকরা প্রতিটি এলাকায় প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন, এতে একাধিক নারীও অংশ নিয়েছেন।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফ স্থানীয় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন। সমালোচনার মধ্যেও তারা আসনটি হারানো থেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। এছাড়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল আলম ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়্যদ মুহাম্মদ হাসানও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০৭ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৭২ হাজার ১২১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....