ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

স্বর্ণের ক্যারেট, খাদ ও ওজন: যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খায় ক্রেতাদের মনে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

স্বর্ণের ক্যারেট, খাদ ও ওজন: যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খায় ক্রেতাদের মনে ঢাকা | জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ৩:৩৩ পিএম।  সম্পদ, আভিজাত্য ও নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতীক হিসেবে হাজার বছর ধরে মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ। বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা ভবিষ্যৎ সঞ্চয়—সব ক্ষেত্রেই স্বর্ণের ব্যবহার ব্যাপক। তবে আধুনিক সময়ে স্বর্ণ কেনাবেচার সময় ‘ক্যারেট’, ‘হলমার্ক’ ও ‘খাদ’—এই শব্দগুলো অনেক ক্রেতার মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি করছে। ক্যারেট মানেই কি ভেজাল? স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক হলো ক্যারেট। বিশুদ্ধতার ভিত্তিতে স্বর্ণকে সাধারণত ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ সবচেয়ে খাঁটি হলেও এটি অত্যন্ত নরম হওয়ায় গহনা তৈরিতে ব্যবহার করা কঠিন। এই কারণে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত গহনায় সাধারণত ২২ ক্যারেট বা তার কম ক্যারেটের স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। এতে স্বর্ণের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ তামা বা রুপা মেশানো থাকে, যা গহনাকে আরও টেকসই করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২২ বা ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ব্যবহার মানেই ভেজাল নয়; বরং এটি গহনা তৈরির প্রয়োজনীয় ও স্বীকৃত প্রক্রিয়া। ‘খাদ’ মানেই কি প্রতারণা? স্বর্ণের ক্ষেত্রে ‘খাদ’ শব্দটি সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সময় নেতিবাচক অর্থ বহন করে। তবে বাস্তবে গহনা প্রস্তুতের জন্য স্বর্ণের সঙ্গে সীমিত পরিমাণে অন্য ধাতু মেশানো অপরিহার্য। খাদ ছাড়া স্বর্ণ দিয়ে গহনার নকশা তৈরি করা, আকৃতি দেওয়া কিংবা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব। তাই নির্ধারিত মাত্রায় খাদ মেশানো হলে সেটিকে ভেজাল বলা যায় না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ভরি, আনা নাকি গ্রাম? বাংলাদেশে স্বর্ণের ওজন পরিমাপে প্রচলিত একক হলো ভরি, আনা ও রতি। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণের ওজন নির্ধারণ করা হয় গ্রাম ও ট্রয় আউন্স এককে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতিদিন দেশের বাজারে যে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে, সেটিও মূলত গ্রাম হিসেবেই নির্ধারিত হয়। বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান দোলন জানান, বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে ঐতিহাসিকভাবে ভরি ও আনার হিসাব প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা মূলত গ্রাম হিসেবেই কেনাবেচা করে থাকেন। ক্রেতাদের সুবিধার জন্য অনেক সময় গ্রাম থেকে ভরিতে রূপান্তর করে দাম জানানো হয়। তবে এই রূপান্তরের হিসাব স্পষ্ট না হওয়ায় অনেক ক্রেতা বিভ্রান্তিতে পড়েন। সচেতন হলেই ঝুঁকি কমবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণ কেনার আগে ক্যারেট, খাদ ও ওজনের একক সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। পাশাপাশি হলমার্কযুক্ত স্বর্ণ কেনা এবং বিশ্বস্ত জুয়েলারি দোকান থেকে লেনদেন করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। সচেতনতা বাড়লে স্বর্ণ কেনাবেচা নিয়ে বিভ্রান্তি কমবে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

স্বর্ণের ক্যারেট, খাদ ও ওজন: যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খায় ক্রেতাদের মনে

আপডেট সময় ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
স্বর্ণের ক্যারেট, খাদ ও ওজন: যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খায় ক্রেতাদের মনে ঢাকা | জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ৩:৩৩ পিএম।  সম্পদ, আভিজাত্য ও নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতীক হিসেবে হাজার বছর ধরে মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ। বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা ভবিষ্যৎ সঞ্চয়—সব ক্ষেত্রেই স্বর্ণের ব্যবহার ব্যাপক। তবে আধুনিক সময়ে স্বর্ণ কেনাবেচার সময় ‘ক্যারেট’, ‘হলমার্ক’ ও ‘খাদ’—এই শব্দগুলো অনেক ক্রেতার মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি করছে। ক্যারেট মানেই কি ভেজাল? স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক হলো ক্যারেট। বিশুদ্ধতার ভিত্তিতে স্বর্ণকে সাধারণত ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ সবচেয়ে খাঁটি হলেও এটি অত্যন্ত নরম হওয়ায় গহনা তৈরিতে ব্যবহার করা কঠিন। এই কারণে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত গহনায় সাধারণত ২২ ক্যারেট বা তার কম ক্যারেটের স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। এতে স্বর্ণের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ তামা বা রুপা মেশানো থাকে, যা গহনাকে আরও টেকসই করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২২ বা ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ব্যবহার মানেই ভেজাল নয়; বরং এটি গহনা তৈরির প্রয়োজনীয় ও স্বীকৃত প্রক্রিয়া। ‘খাদ’ মানেই কি প্রতারণা? স্বর্ণের ক্ষেত্রে ‘খাদ’ শব্দটি সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সময় নেতিবাচক অর্থ বহন করে। তবে বাস্তবে গহনা প্রস্তুতের জন্য স্বর্ণের সঙ্গে সীমিত পরিমাণে অন্য ধাতু মেশানো অপরিহার্য। খাদ ছাড়া স্বর্ণ দিয়ে গহনার নকশা তৈরি করা, আকৃতি দেওয়া কিংবা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব। তাই নির্ধারিত মাত্রায় খাদ মেশানো হলে সেটিকে ভেজাল বলা যায় না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ভরি, আনা নাকি গ্রাম? বাংলাদেশে স্বর্ণের ওজন পরিমাপে প্রচলিত একক হলো ভরি, আনা ও রতি। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণের ওজন নির্ধারণ করা হয় গ্রাম ও ট্রয় আউন্স এককে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতিদিন দেশের বাজারে যে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে, সেটিও মূলত গ্রাম হিসেবেই নির্ধারিত হয়। বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান দোলন জানান, বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে ঐতিহাসিকভাবে ভরি ও আনার হিসাব প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা মূলত গ্রাম হিসেবেই কেনাবেচা করে থাকেন। ক্রেতাদের সুবিধার জন্য অনেক সময় গ্রাম থেকে ভরিতে রূপান্তর করে দাম জানানো হয়। তবে এই রূপান্তরের হিসাব স্পষ্ট না হওয়ায় অনেক ক্রেতা বিভ্রান্তিতে পড়েন। সচেতন হলেই ঝুঁকি কমবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণ কেনার আগে ক্যারেট, খাদ ও ওজনের একক সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। পাশাপাশি হলমার্কযুক্ত স্বর্ণ কেনা এবং বিশ্বস্ত জুয়েলারি দোকান থেকে লেনদেন করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। সচেতনতা বাড়লে স্বর্ণ কেনাবেচা নিয়ে বিভ্রান্তি কমবে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....