ঢাকা
,
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬
যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ?
২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের
কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা
বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর
প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা
বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস
ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
-
Reporter Name - আপডেট সময় ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- ১১৬ বার পড়া হয়েছে
হাউজ: জেটিভি নিউজ বাংলা
শেরপুর প্রতিনিধি,১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়: দুপুর ৩:১৩ পিএম।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল-রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনায় তাঁকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
নালিতাবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং ভিডিও যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি-সংক্রান্ত একটি কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করে তা নিজের ব্যাগে রাখছেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়,
“এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই। তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি।”
ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভূমি অফিসে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ নতুন করে সামনে আনেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভূমি-সংক্রান্ত সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে প্রায়ই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নয়াবিল গ্রামের এক ভুক্তভোগী জানান, ২০ শতাংশ জমির নামজারি (খারিজ) করতে গেলে তাঁর কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যেখানে সরকারি ফি মাত্র ১ হাজার ৭০ টাকা। অতিরিক্ত টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বলা হয়, “শুধু সরকারি ফি দিয়ে কাজ হয় না, ওপরে দিতেও খরচ আছে।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভূমি অফিসে দুর্নীতি বন্ধ হবে না।
প্রতিবেদন: শেরপুর প্রতিনিধি
সম্পাদনা ও পরিবেশনা: জেটিভি নিউজ বাংলা
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ






















