ঢাকা
,
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন বাজারে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারে গুলিবর্ষণ
নয়াপল্টনের সমাবেশ স্থগিত, ঢাকার বিভিন্ন আসনে জনসভা করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা
নির্বাচনি দায়িত্ব পবিত্র আমানত, নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই নৈতিক দায়িত্ব: সিআইডি প্রধান
মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন
এক্সিম ব্যাংক বসুন্ধরা শাখায় হামলার ভিডিও ভাইরাল
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার ইসহাক সরকার
২০ বছর পর বরিশালের মাটিতে তারেক রহমান বেলস পার্কে নির্বাচনি সমাবেশ, কানায় কানায় ভিড়
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে রিট খারিজ ঢাকা-১১ আসনে ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতায় বাধা নেই
কঠোর আইন প্রয়োগে হর্নমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা সরকারের
ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
-
Reporter Name - আপডেট সময় ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- ১৬ বার পড়া হয়েছে
হাউজ: জেটিভি নিউজ বাংলা
শেরপুর প্রতিনিধি,১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়: দুপুর ৩:১৩ পিএম।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল-রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনায় তাঁকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
নালিতাবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং ভিডিও যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি-সংক্রান্ত একটি কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করে তা নিজের ব্যাগে রাখছেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়,
“এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই। তুই খালি বাবা টাকা পাঠাবি।”
ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভূমি অফিসে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ নতুন করে সামনে আনেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভূমি-সংক্রান্ত সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে প্রায়ই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নয়াবিল গ্রামের এক ভুক্তভোগী জানান, ২০ শতাংশ জমির নামজারি (খারিজ) করতে গেলে তাঁর কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যেখানে সরকারি ফি মাত্র ১ হাজার ৭০ টাকা। অতিরিক্ত টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বলা হয়, “শুধু সরকারি ফি দিয়ে কাজ হয় না, ওপরে দিতেও খরচ আছে।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভূমি অফিসে দুর্নীতি বন্ধ হবে না।
প্রতিবেদন: শেরপুর প্রতিনিধি
সম্পাদনা ও পরিবেশনা: জেটিভি নিউজ বাংলা
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ




















