ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

জরিমানার ঘটনাকে ‘নির্বাচনি হয়রানি’ বললেন রুমিন ফারহানা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রশাসনের বাধার অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা জরিমানার ঘটনাকে ‘নির্বাচনি হয়রানি’ বললেন রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | JTV NEWS BANGLA

১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ১২:৫০ এএম

বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত আলোচিত নেত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনি প্রচারণায় প্রশাসনিক বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, প্রশাসন একদিকে তার নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে, অন্যদিকে প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রবিবার (_____) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার হাসান খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের এইরকম দেখায় (বৃদ্ধাঙ্গুল উঁচু করে)। প্রশাসনে বসে আছেন, খোঁজ নিন—সব জায়গায় সভা হচ্ছে। আপনি পারলে থামাতেন। আজকে আমি ভদ্রতা দেখিয়ে থামিয়েছি, নেক্সটাইম এই ভদ্রতাটা করবো না।” তিনি আরও বলেন, “এক্সকিউজ মি স্যার, দিস ইজ দ্য লাস্ট টাইম। আজকে শুনছি, ভবিষ্যতে আর শুনবো না। আমি যদি না বলি এখান থেকে বের হতে পারবেন না—মাথায় রাখবেন।” এ সময় সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। ঘটনার পর আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে সমাবেশ আয়োজনের দায়ে রুমিন ফারহানার সমর্থক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বকর সরকার। এর আগে উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আল্লাহর কাছে মেহমান হয়ে গেছেন। এরপরই দল আমাকে বহিষ্কার করেছে। অথচ এখন আবার দল থেকে ফোন করে বলা হচ্ছে—আসন ছেড়ে দিলে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে।” তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমি কোনও মন্ত্রিত্বের লোভে আমার এলাকার মানুষদের ছেড়ে যাবো না।” প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে রুমিন ফারহানা আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন। তার ভালোবাসা ও আশ্রয়ে আমি আজ এখানে। আমার মা জীবিত থাকা অবস্থায় আমাকে বহিষ্কার করা যায়নি। তিনি হাসপাতালে যাওয়ার মাত্র দুই দিন আগে বলেছিলেন—‘রুমিনকে কেন মনোনয়ন দেওয়া হলো না?’ কিন্তু দল তার কোনও জবাব দিতে পারেনি।” নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর আমি রাজপথে ছিলাম। কে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে লড়াই করেছে, কে সংসদে দাঁড়িয়ে এই সংসদকে অবৈধ বলেছে—সবই জনগণ জানে।” এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় ভোটাররাও। জেটিভি নিউজ বাংলা / রাজনীতি

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

জরিমানার ঘটনাকে ‘নির্বাচনি হয়রানি’ বললেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
প্রশাসনের বাধার অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা জরিমানার ঘটনাকে ‘নির্বাচনি হয়রানি’ বললেন রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | JTV NEWS BANGLA

১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ১২:৫০ এএম

বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত আলোচিত নেত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনি প্রচারণায় প্রশাসনিক বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, প্রশাসন একদিকে তার নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে, অন্যদিকে প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রবিবার (_____) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার হাসান খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের এইরকম দেখায় (বৃদ্ধাঙ্গুল উঁচু করে)। প্রশাসনে বসে আছেন, খোঁজ নিন—সব জায়গায় সভা হচ্ছে। আপনি পারলে থামাতেন। আজকে আমি ভদ্রতা দেখিয়ে থামিয়েছি, নেক্সটাইম এই ভদ্রতাটা করবো না।” তিনি আরও বলেন, “এক্সকিউজ মি স্যার, দিস ইজ দ্য লাস্ট টাইম। আজকে শুনছি, ভবিষ্যতে আর শুনবো না। আমি যদি না বলি এখান থেকে বের হতে পারবেন না—মাথায় রাখবেন।” এ সময় সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। ঘটনার পর আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে সমাবেশ আয়োজনের দায়ে রুমিন ফারহানার সমর্থক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বকর সরকার। এর আগে উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আল্লাহর কাছে মেহমান হয়ে গেছেন। এরপরই দল আমাকে বহিষ্কার করেছে। অথচ এখন আবার দল থেকে ফোন করে বলা হচ্ছে—আসন ছেড়ে দিলে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে।” তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমি কোনও মন্ত্রিত্বের লোভে আমার এলাকার মানুষদের ছেড়ে যাবো না।” প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে রুমিন ফারহানা আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন। তার ভালোবাসা ও আশ্রয়ে আমি আজ এখানে। আমার মা জীবিত থাকা অবস্থায় আমাকে বহিষ্কার করা যায়নি। তিনি হাসপাতালে যাওয়ার মাত্র দুই দিন আগে বলেছিলেন—‘রুমিনকে কেন মনোনয়ন দেওয়া হলো না?’ কিন্তু দল তার কোনও জবাব দিতে পারেনি।” নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর আমি রাজপথে ছিলাম। কে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে লড়াই করেছে, কে সংসদে দাঁড়িয়ে এই সংসদকে অবৈধ বলেছে—সবই জনগণ জানে।” এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় ভোটাররাও। জেটিভি নিউজ বাংলা / রাজনীতি