ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”