ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”