ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক


দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধে জনি ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা

  কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি ইসলাম একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সীমান্তের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও স্থানীয় মাদক কারবারি আমিরুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে জনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে ফেরার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০–৩৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। ভারতেও পালিয়ে থাকার ইতিহাস রয়েছে তার। গত বছর সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায়ও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, “নিহত জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অন্তত অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।”