📰 জেটিভি নিউজ বাংলা | ডেস্ক
গণভোটের আইন হলে পদক্ষেপ: সিইসি নাসির উদ্দিন
নির্বাচনের দিন গণভোট ঘোষণার পরও এখনই মন্তব্যে অনীহা ইসির; চার দিনে ৪৮ দলের সঙ্গে সংলাপ
বুধবার (১৯ নভেম্বর) ধারাবাহিক নির্বাচনি সংলাপের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোটের ঘোষণা সরকার থেকে এলেও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ (আইন) জারি হওয়ার আগে এ বিষয়ে ইসি কোনো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপে বারবার গণভোটের প্রস্তুতি, ব্যালট বাক্স সংখ্যা, পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে জানতে চাইছেন। কিন্তু আইন প্রণয়ন ছাড়া এ বিষয়ে ইসি কোনো সিদ্ধান্ত বা দিকনির্দেশনা দিতে পারবে না।
গণভোট আইন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষার কথা সিইসির
সমাপনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, “ওই (গণভোট অধ্যাদেশ) আইনটা হলে তখন আমার একটা দায়বদ্ধতা আসবে এ ব্যাপারে বক্তব্য দেওয়ার। এখনো আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারি না। আইন হওয়ার পর চিন্তা–ভাবনা ও এক্সারসাইজ শুরু করব।” রাজনীতিবিদদের প্রশ্নের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হাস্যরস করে বলেন, “রাজনীতিবিদদের টাইম মেনটেইন করানো মুশকিল। আপনাদের কাজই তো বক্তব্য দেওয়া।”রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনে চলার ওপর জোর
৭৩ বছর বয়সী সিইসি জানান, পাকিস্তান আমল থেকে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া দেখে আসায় তার অভিজ্ঞতা দীর্ঘ। তিনি বলেন, “ইলেকশন নিয়ে আমাদের কম অভিজ্ঞতা হয়নি। দেশের আর্থ–সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনেই এগোতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক বাস্তবতার হিটওয়েভ আমি ফিল করি। এগুলো এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। স্মার্টলি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।”সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, “রেফারেন্ডামটা কীভাবে ভোট করব—তা আগে আইনেই নির্ধারিত হবে। ঘোষণার মধ্যে বলা আছে, অর্ডারের সঙ্গে একটি আইন হবে যা ইলেকশন কমিশনকে রেফারেন্ডাম পরিচালনার ক্ষমতা দেবে ও পদ্ধতি ঠিক করবে।”
বিকেল ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ও বাসদ মার্কসবাদীর সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। এ নিয়ে চার দিনে কমিশন ৪৮টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন করেছে।

Reporter Name 




















