জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ ঃ ১০ আগস্ট ২০২৬ ইং,সময় রাত ১০:১৯ মিনিটএনজিও ঋণ ও ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে আদালতে মামলা চলমান এবং একাধিক বিয়ে করে গয়না ও টাকা পয়সা আত্মসাত
মানিকগঞ্জ জেলা ঘিওর উপজেলা এবং তরা গ্রামের পিতা জনাব আলী শেখ মাতা নাসরিন আক্তার এর বড়ো মেয়ে মহিমা তরা এলাকায় অসহায় দরিদ্র মানুষের সাথে বিভিন্ন এনজিও থেকে ১০/১১ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন এবং ভূক্তভোগি আরও একটা পরিবার রোজিনা আক্তার সঙ্গে ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় এবং রোজিনা আক্তার ১২ লাখ টাকার একটা প্রতারণার ব্ল্যাংক চেক এর মামলা মানিকগঞ্জ জর্জ কোটে চলমান রয়েছে। এছাড়াও এই মহিমা আক্তার টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন এনজিওর ম্যানেজার এর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যার সত্যতা তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এবং সেই সব সমস্যার জন্য তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় বলে তিনি জানান। এছাড়াও এই প্রতারক মহিমা নিজের আপন খালু ফজলুল যিনি আনন্দ এনজিও এর কক্সবাজার শাখার এরিয়া ম্যানেজার এর সঙ্গে দীর্ঘ সময় শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যায় যার তার পূর্বের স্বামী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন এই মহিমা তার খালুর চরিত্রগত সমস্যা আছে এবং ওর খালু ওকে ভোগ করতে চায় বলে আমার কাছে বলে এবং একই বিষয় তার বর্তমান স্বামী একজন গণমাধ্যম কর্মী তার সঙ্গে বিভিন্ন কৌশলে এক লক্ষ টাকার গয়না এবং চার লক্ষ টাকার কাবিন দেনমোহরে বিয়ে বসেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে মহিমা ও তার বোন মা এবং আগের পূর্বের সংসারের একটি কণ্যা সন্তানের যাবতীয় ভরনপোষণ দিয়ে আসতো বিয়ের আগে থেকেই এবং বিয়ের ৬ মাসের মাথায় মহিমা তার বর্তমান স্বামীর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যাচ্ছেন যা তার বর্তমান স্বামী বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানতে পেরে বিষয়টি নিয়ে অনেক ঝগড়া বিবাদ করেন। এবং সকল তথ্য উপাত্ত তার বর্তমান স্বামীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়াও তিনি বর্তমানে কক্সবাজার আনন্দ এনজিওর একজন কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তবে কক্সবাজার একটি পর্যটন এলাকা হওয়ার কারণে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্থাপন করে যাচ্ছেন যা তিনি তার বর্তমান স্বামী মেনে নিতে পারেননি বিধায় প্রতিবাদ করায় তার সঙ্গে সংসার করতে অনিচ্ছুক তবে তারপর বর্তমান স্বামী একজন গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে নিজের সম্মান রাখতে তিনি বলেন সংসার যেহেতু করবে না তাহলে আমাকে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দাও তবে এ বিষয়ে প্রতারক মহিমা আক্তার বলেন আমার যখন সময় হবে আমি তখন ডিভোর্স দিব তোর যদি না পোষায় তুই কাগজ দিয়ে দে। জেটিভি নিউজ বাংলাদেশ ও দশের কথা বলে....

ডেস্ক রিপোর্ট 





















