জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৬ ইং| বুধবার, সময় রাত ০৯:২৬ মিনিট।উগ্রবাদে ‘জিরো টলারেন্স’ সরকারের, ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
দেশে কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা চরমপন্থার জন্য কোনো সুযোগ রাখা হবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এ ধরনের অপতৎপরতা মোকাবিলায় রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বিরোধী দলের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আধুনিক, দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আমি আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।” উগ্রবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে অনেক বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। উগ্রবাদ ও চরমপন্থা দমনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, উগ্রবাদ ও চরমপন্থা দমনের প্রশ্নে আমরা বিরোধী দলের পূর্ণ সহযোগিতা পাবো, ইনশাআল্লাহ।” শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশে উগ্রবাদের স্থান নেই সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ন্যায়বিচার, সমতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, “আমাদের শহীদরা এমন একটি বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, যেখানে ন্যায়পরায়ণতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবেন।” তিনি আরও বলেন, “সেই বাংলাদেশে চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের কোনো স্থান হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারও কেউ হরণ করতে পারবে না।” প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা এবং এসব চ্যালেঞ্জ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা রাষ্ট্র ও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। সাম্প্রতিক উগ্রবাদবিরোধী অভিযান উল্লেখ্য, গত ৫ মে ভোর সাড়ে ৬টায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে ৯ জুলাই রাতে যশোর থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া সাতজন হলেন— শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান, বায়োজিত এবং তাহসীন ইসলাম। তাদের মধ্যে আতাউল্লাহ শাহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ছিলেন; পরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। জেটিভি নিউজ বাংলাদেশ ও দশের কথা বলে....

ডেস্ক রিপোর্ট 






















