ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সাভারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার অঙ্গীকার খোরশেদ আলমের হাসপাতাল চালুর দাবিতে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে ঘুষের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, নামজারি থেকে মিসকেস—সবখানেই টাকার খেলা; অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে সহকারী নামজারী রহিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ, গোপন ক্যামেরায় মিলেছে নতুন তথ্যের দাবি চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের রায় আজ ব্যাংক লুট করে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই: এস আলম গ্রুপের পুনঃপ্রবেশের আইনি পথ বন্ধ বাজেটে স্বপ্ন দেখানো হয়, পরে সারা বছর সেই স্বপ্নভঙ্গের ফল ভোগ করতে হয়: রুমিন ফারহানা দুস্থ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডও দুদকের মাধ্যমে তদন্তের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬ ইং,সময় বিকাল ০৪:৩৭ মিনিট।

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাসের মাধ্যমে সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিধান বাতিল করা হয়েছে। সংশোধনীর ফলে মূল ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর ২০ নম্বর ধারা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এর ফলে ডিজিটাল মাধ্যমে জুয়া খেলা কিংবা এর প্রচারণাসংক্রান্ত অপরাধগুলো আর সাইবার সুরক্ষা আইনের অধীনে বিচারযোগ্য থাকবে না। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর আগে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল পাস হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছিল, কোনো ব্যক্তি যদি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনো পোর্টাল, অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি ও পরিচালনা করেন, জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন অথবা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে জুয়ার বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ বা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচারণা চালানোও অপরাধের আওতায় ছিল। ওই ধারায় এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছিল। সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে এই ধারা বিলুপ্ত করার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যেই মূলত সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ডিজিটাল ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমে জুয়া এবং বেটিং-সংক্রান্ত অপরাধ আরও কঠোর ও সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ নামে একটি পৃথক, সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত আইন কার্যকর হওয়ার ফলে একই ধরনের অপরাধের জন্য একাধিক আইনের প্রয়োগজনিত ওভারল্যাপিং এবং আইনি জটিলতা এড়াতেই সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে ২০ নম্বর ধারা বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

আপডেট সময় ১২ মিনিট আগে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬ ইং,সময় বিকাল ০৪:৩৭ মিনিট।

সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল, আসছে পৃথক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাসের মাধ্যমে সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিধান বাতিল করা হয়েছে। সংশোধনীর ফলে মূল ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর ২০ নম্বর ধারা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এর ফলে ডিজিটাল মাধ্যমে জুয়া খেলা কিংবা এর প্রচারণাসংক্রান্ত অপরাধগুলো আর সাইবার সুরক্ষা আইনের অধীনে বিচারযোগ্য থাকবে না। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর আগে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল পাস হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছিল, কোনো ব্যক্তি যদি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনো পোর্টাল, অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি ও পরিচালনা করেন, জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন অথবা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে জুয়ার বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ বা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচারণা চালানোও অপরাধের আওতায় ছিল। ওই ধারায় এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছিল। সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে এই ধারা বিলুপ্ত করার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যেই মূলত সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ডিজিটাল ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমে জুয়া এবং বেটিং-সংক্রান্ত অপরাধ আরও কঠোর ও সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ নামে একটি পৃথক, সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত আইন কার্যকর হওয়ার ফলে একই ধরনের অপরাধের জন্য একাধিক আইনের প্রয়োগজনিত ওভারল্যাপিং এবং আইনি জটিলতা এড়াতেই সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে ২০ নম্বর ধারা বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....