ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৫ মে ২০২৬ ইং,সময় রাত: ১২:৪১ মিনিট।  

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে ফিরে নিজের ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখেছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লাখান মানে। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় পেঁয়াজের অস্বাভাবিক কম দামে। শ্রমের মূল্যও না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার মোহল তহসিলের বেগমপুর গ্রামের বাসিন্দা লাখান মানে ২০১৬ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। বাবা–মায়ের পাশে দাঁড়াতে তিনি কৃষিকাজকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। এবার দুই একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তিনি। সোলাপুরের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে মাত্র ৫০ পয়সা হওয়ায় বেশি দামের আশায় ২০০ কিলোমিটার দূরের কোলহাপুর কৃষিপণ্য বিপণন কমিটি (এপিএমসি)-তে যান লাখান। গত ৮ মে তিনি ১০০ বস্তা পেঁয়াজ নিয়ে কোলহাপুরে পৌঁছান। তবে সেখান থেকে মোট ৩ হাজার ৭০০ রুপি পান তিনি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় মাত্র ৬৭ পয়সা। হতাশ হয়ে নিজের জমির অবশিষ্ট পেঁয়াজ পুড়িয়ে দেন বলে জানান তিনি। লাখানের ভাষ্য, সোলাপুর বাজারে কম দাম দেখে ভালো মূল্যের আশায় কোলহাপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকেও প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে চরম ক্ষোভে ফসল ধ্বংস করেন। একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বার্শির আরেক কৃষক। তিনি ২৭০ কিলোমিটার দূর থেকে কোলহাপুরে গিয়ে প্রতি কেজিতে মাত্র ১ রুপি পান। কোলহাপুর এপিএমসির পেঁয়াজ বিভাগের প্রধান মনোজ সালুঙ্খে জানান, ওই কৃষকের পেঁয়াজ নিম্নমানের ছিল এবং বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় কোনো ব্যবসায়ী তা কিনতে চাননি। কৃষকের অনুরোধে কেজিপ্রতি ১ রুপি দরে ক্রয় করা হয়, যা মূলত আবর্জনায় ফেলা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভালো মানের পেঁয়াজের দামও কেজিতে ১২–১৩ রুপির ওপরে উঠছে না। যুদ্ধ ও বিভিন্ন কারণে রফতানিতে বিধিনিষেধ থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এবার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোনো বড় অর্ডার আসছে না। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক

আপডেট সময় ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৫ মে ২০২৬ ইং,সময় রাত: ১২:৪১ মিনিট।  

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক

ইঞ্জিনিয়ার থেকে কৃষক, তবু কপালে হতাশা; কেজিতে পেঁয়াজের দাম মাত্র ৬৭ পয়সা—ফসল পুড়িয়ে ধ্বংস করলেন ভারতীয় যুবক চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে ফিরে নিজের ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখেছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লাখান মানে। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় পেঁয়াজের অস্বাভাবিক কম দামে। শ্রমের মূল্যও না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার মোহল তহসিলের বেগমপুর গ্রামের বাসিন্দা লাখান মানে ২০১৬ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। বাবা–মায়ের পাশে দাঁড়াতে তিনি কৃষিকাজকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। এবার দুই একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তিনি। সোলাপুরের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে মাত্র ৫০ পয়সা হওয়ায় বেশি দামের আশায় ২০০ কিলোমিটার দূরের কোলহাপুর কৃষিপণ্য বিপণন কমিটি (এপিএমসি)-তে যান লাখান। গত ৮ মে তিনি ১০০ বস্তা পেঁয়াজ নিয়ে কোলহাপুরে পৌঁছান। তবে সেখান থেকে মোট ৩ হাজার ৭০০ রুপি পান তিনি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় মাত্র ৬৭ পয়সা। হতাশ হয়ে নিজের জমির অবশিষ্ট পেঁয়াজ পুড়িয়ে দেন বলে জানান তিনি। লাখানের ভাষ্য, সোলাপুর বাজারে কম দাম দেখে ভালো মূল্যের আশায় কোলহাপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকেও প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে চরম ক্ষোভে ফসল ধ্বংস করেন। একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বার্শির আরেক কৃষক। তিনি ২৭০ কিলোমিটার দূর থেকে কোলহাপুরে গিয়ে প্রতি কেজিতে মাত্র ১ রুপি পান। কোলহাপুর এপিএমসির পেঁয়াজ বিভাগের প্রধান মনোজ সালুঙ্খে জানান, ওই কৃষকের পেঁয়াজ নিম্নমানের ছিল এবং বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় কোনো ব্যবসায়ী তা কিনতে চাননি। কৃষকের অনুরোধে কেজিপ্রতি ১ রুপি দরে ক্রয় করা হয়, যা মূলত আবর্জনায় ফেলা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভালো মানের পেঁয়াজের দামও কেজিতে ১২–১৩ রুপির ওপরে উঠছে না। যুদ্ধ ও বিভিন্ন কারণে রফতানিতে বিধিনিষেধ থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এবার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোনো বড় অর্ডার আসছে না। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...