ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

ঈদে ট্রেনের টিকিট সংকট: কেন মিনিটেই ‘সোল্ড আউট’?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

   

ঈদে ট্রেনের টিকিট সংকট: কেন মিনিটেই ‘সোল্ড আউট’?

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ :১৪ মে ২০২৬ ইং,সময়: ১১:৪৪ মিনিট ঈদ এলেই শুরু হয় ঘরমুখী মানুষের ব্যস্ততা। আর এই যাত্রায় সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোর একটি হলো ট্রেনের টিকিট। টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অধিকাংশ আসন ‘সোল্ড আউট’ দেখায়। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেন, নির্ধারিত সময়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশই করতে পারেন না। কেউ কেউ জানান, আসন নির্বাচন করার পর পেমেন্ট সম্পন্ন করার আগেই টিকিট শেষ হয়ে যায়। ফলে প্রতিবছর একই প্রশ্ন সামনে আসে—টিকিট কি সত্যিই এত দ্রুত শেষ হয়, নাকি এর পেছনে রয়েছে ভিন্ন কোনো কারণ? বিশেষজ্ঞ ও রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—চাহিদার তুলনায় সীমিত আসনসংখ্যা, একই সময়ে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর চাপ, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের টিকিট কালোবাজারি সংস্কৃতি। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের সময় প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে চান। তবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর আসন সেই চাহিদার তুলনায় অনেক কম। রেলওয়ের হিসাব বলছে, দেশের বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন যে পরিমাণ আসন পাওয়া যায়, তার বড় অংশই ঈদের সময় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বুক হয়ে যায়। কারণ, বাসের তুলনায় অনেকেই ট্রেনকে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক পরিবহন হিসেবে বিবেচনা করেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ, খুলনা ও চট্টগ্রামমুখী রুটে যাত্রীচাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য একসঙ্গে টিকিট কাটতে চাইলে চাহিদা আরও বেড়ে যায়। কয়েক মিনিটে লাখো ব্যবহারকারীর চাপ বর্তমানে ঈদের টিকিটের বড় অংশ অনলাইনে বিক্রি করা হয়। নির্ধারিত সময় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ওয়েবসাইট ও অ্যাপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, একই সময়ে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সার্ভারে প্রবেশ করলে সিস্টেমে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে কেউ সহজে লগইন করতে পারেন, কেউ পারেন না। আবার কেউ আসন নির্বাচন করলেও পেমেন্টের আগে সেটি অন্য ব্যবহারকারীর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় যাত্রীরা মনে করেন টিকিট ‘উধাও’ হয়ে গেছে। তবে বাস্তবে একই আসনের জন্য একাধিক ব্যক্তি একই মুহূর্তে চেষ্টা করার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।

‘কার্টে’ থাকলেই টিকিট নিশ্চিত নয়

অনলাইনে টিকিট কেনার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘সিট হোল্ড’। কোনো ব্যবহারকারী আসন নির্বাচন করলে সেটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেমেন্ট সম্পন্ন না হলে আসনটি পুনরায় সিস্টেমে ফিরে যায়। ফলে প্রথমে টিকিট না পাওয়া গেলেও কিছু সময় পর আবার খালি আসন দেখা যেতে পারে।

কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি

অনলাইন ব্যবস্থা চালুর পর আগের তুলনায় টিকিট কালোবাজারি কমেছে বলে দাবি করছে রেলওয়ে। তবে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে দেখা গেছে, এখনও কিছু চক্র ভুয়া পরিচয়, একাধিক অ্যাকাউন্ট বা সফটওয়্যার ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করে। সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, স্বয়ংক্রিয় বট বা স্ক্রিপ্টের মাধ্যমে দ্রুত টিকিট সংগ্রহের প্রবণতা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই দেখা যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ক্যাপচা, এনআইডি যাচাই এবং সীমিত টিকিট কেনার নিয়ম চালু করেছে।

একই সময়ে যাত্রার প্রবণতা

ঈদযাত্রায় আরেকটি বড় কারণ হলো—অধিকাংশ মানুষ একই দুই-তিন দিনের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান। অফিস ছুটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং পারিবারিক পরিকল্পনার কারণে নির্দিষ্ট তারিখগুলোতে চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তাই ঈদের আগের শেষ কয়েক দিনের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তবে তুলনামূলক আগে বা পরে যাত্রার ক্ষেত্রে অনেক সময় আসন পাওয়া সম্ভব হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও একই চিত্র

বড় উৎসবের সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের চাপ দেখা যায়। ভারতে দীপাবলি ও ছট পূজা, চীনে লুনার নিউ ইয়ার এবং ইন্দোনেশিয়ায় ঈদযাত্রার সময় ট্রেন ও বিমানের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। চীনে ‘চুনইউন’ নামে পরিচিত নববর্ষ ভ্রমণ মৌসুমকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবস্থানান্তরগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়, যেখানে কয়েক কোটি মানুষ একসঙ্গে যাত্রা করেন।

সমাধানের উপায় কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন— ট্রেন ও কোচের সংখ্যা বৃদ্ধি, জনপ্রিয় রুটে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালু, টিকিট পুনর্বিক্রি ও বট ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি, ধাপে ধাপে যাত্রার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং অনলাইনে অপেক্ষমাণ তালিকা আরও কার্যকর করা। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীচাহিদা প্রতিবছর বাড়ছে। তবে নতুন কোচ, রেললাইন ও অবকাঠামো উন্নয়ন সময়সাপেক্ষ। তাই বর্তমান সীমিত সক্ষমতার মধ্যেই ঈদযাত্রার চাপ সামলাতে হচ্ছে। ফলে ঈদের আগে সেই পরিচিত দৃশ্যই দেখা যায়—টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অধিকাংশ আসন শেষ। ঘরমুখী মানুষের জন্য এটি এখন বাস্তবতার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।      

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

ঈদে ট্রেনের টিকিট সংকট: কেন মিনিটেই ‘সোল্ড আউট’?

আপডেট সময় ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
   

ঈদে ট্রেনের টিকিট সংকট: কেন মিনিটেই ‘সোল্ড আউট’?

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ :১৪ মে ২০২৬ ইং,সময়: ১১:৪৪ মিনিট ঈদ এলেই শুরু হয় ঘরমুখী মানুষের ব্যস্ততা। আর এই যাত্রায় সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোর একটি হলো ট্রেনের টিকিট। টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অধিকাংশ আসন ‘সোল্ড আউট’ দেখায়। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেন, নির্ধারিত সময়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশই করতে পারেন না। কেউ কেউ জানান, আসন নির্বাচন করার পর পেমেন্ট সম্পন্ন করার আগেই টিকিট শেষ হয়ে যায়। ফলে প্রতিবছর একই প্রশ্ন সামনে আসে—টিকিট কি সত্যিই এত দ্রুত শেষ হয়, নাকি এর পেছনে রয়েছে ভিন্ন কোনো কারণ? বিশেষজ্ঞ ও রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—চাহিদার তুলনায় সীমিত আসনসংখ্যা, একই সময়ে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর চাপ, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের টিকিট কালোবাজারি সংস্কৃতি। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের সময় প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে চান। তবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর আসন সেই চাহিদার তুলনায় অনেক কম। রেলওয়ের হিসাব বলছে, দেশের বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন যে পরিমাণ আসন পাওয়া যায়, তার বড় অংশই ঈদের সময় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বুক হয়ে যায়। কারণ, বাসের তুলনায় অনেকেই ট্রেনকে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক পরিবহন হিসেবে বিবেচনা করেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ, খুলনা ও চট্টগ্রামমুখী রুটে যাত্রীচাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য একসঙ্গে টিকিট কাটতে চাইলে চাহিদা আরও বেড়ে যায়। কয়েক মিনিটে লাখো ব্যবহারকারীর চাপ বর্তমানে ঈদের টিকিটের বড় অংশ অনলাইনে বিক্রি করা হয়। নির্ধারিত সময় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ওয়েবসাইট ও অ্যাপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, একই সময়ে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সার্ভারে প্রবেশ করলে সিস্টেমে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে কেউ সহজে লগইন করতে পারেন, কেউ পারেন না। আবার কেউ আসন নির্বাচন করলেও পেমেন্টের আগে সেটি অন্য ব্যবহারকারীর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় যাত্রীরা মনে করেন টিকিট ‘উধাও’ হয়ে গেছে। তবে বাস্তবে একই আসনের জন্য একাধিক ব্যক্তি একই মুহূর্তে চেষ্টা করার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।

‘কার্টে’ থাকলেই টিকিট নিশ্চিত নয়

অনলাইনে টিকিট কেনার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘সিট হোল্ড’। কোনো ব্যবহারকারী আসন নির্বাচন করলে সেটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেমেন্ট সম্পন্ন না হলে আসনটি পুনরায় সিস্টেমে ফিরে যায়। ফলে প্রথমে টিকিট না পাওয়া গেলেও কিছু সময় পর আবার খালি আসন দেখা যেতে পারে।

কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি

অনলাইন ব্যবস্থা চালুর পর আগের তুলনায় টিকিট কালোবাজারি কমেছে বলে দাবি করছে রেলওয়ে। তবে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে দেখা গেছে, এখনও কিছু চক্র ভুয়া পরিচয়, একাধিক অ্যাকাউন্ট বা সফটওয়্যার ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করে। সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, স্বয়ংক্রিয় বট বা স্ক্রিপ্টের মাধ্যমে দ্রুত টিকিট সংগ্রহের প্রবণতা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই দেখা যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ক্যাপচা, এনআইডি যাচাই এবং সীমিত টিকিট কেনার নিয়ম চালু করেছে।

একই সময়ে যাত্রার প্রবণতা

ঈদযাত্রায় আরেকটি বড় কারণ হলো—অধিকাংশ মানুষ একই দুই-তিন দিনের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান। অফিস ছুটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং পারিবারিক পরিকল্পনার কারণে নির্দিষ্ট তারিখগুলোতে চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তাই ঈদের আগের শেষ কয়েক দিনের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তবে তুলনামূলক আগে বা পরে যাত্রার ক্ষেত্রে অনেক সময় আসন পাওয়া সম্ভব হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও একই চিত্র

বড় উৎসবের সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের চাপ দেখা যায়। ভারতে দীপাবলি ও ছট পূজা, চীনে লুনার নিউ ইয়ার এবং ইন্দোনেশিয়ায় ঈদযাত্রার সময় ট্রেন ও বিমানের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। চীনে ‘চুনইউন’ নামে পরিচিত নববর্ষ ভ্রমণ মৌসুমকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবস্থানান্তরগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়, যেখানে কয়েক কোটি মানুষ একসঙ্গে যাত্রা করেন।

সমাধানের উপায় কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন— ট্রেন ও কোচের সংখ্যা বৃদ্ধি, জনপ্রিয় রুটে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালু, টিকিট পুনর্বিক্রি ও বট ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি, ধাপে ধাপে যাত্রার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং অনলাইনে অপেক্ষমাণ তালিকা আরও কার্যকর করা। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীচাহিদা প্রতিবছর বাড়ছে। তবে নতুন কোচ, রেললাইন ও অবকাঠামো উন্নয়ন সময়সাপেক্ষ। তাই বর্তমান সীমিত সক্ষমতার মধ্যেই ঈদযাত্রার চাপ সামলাতে হচ্ছে। ফলে ঈদের আগে সেই পরিচিত দৃশ্যই দেখা যায়—টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অধিকাংশ আসন শেষ। ঘরমুখী মানুষের জন্য এটি এখন বাস্তবতার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।      

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....