ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

নিষেধাজ্ঞা কার্যকরেও কমেছে ইলিশের উৎপাদন, তবে দুই দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১২ মে ২০২৬ ইং, সময় : ১০:২৯মিনিট।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকরেও কমেছে ইলিশের উৎপাদন, তবে দুই দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ দেশ-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দামও। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মা ইলিশ রক্ষায় বছরে বিভিন্ন সময়ে তিন দফা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এসব সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়েন। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে—এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আসলে কতটা বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। ইলিশ গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দশকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ফলে দেশের নদী ও বঙ্গোপসাগরে ইলিশ আহরণের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে। তাদের মতে, এসব মৌসুমভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মাছের গড় ওজন ও আকারও আগের তুলনায় বেড়েছে। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, গত দুই বছরে ইলিশের উৎপাদন ৭১ হাজার মেট্রিক টন কমেছে। তবুও সামগ্রিকভাবে দুই দশকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

প্রতি বছর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে সাধারণত অক্টোবর মাসে ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। ২০২৫ সালে এই নিষেধাজ্ঞা ছিল ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে মা ইলিশ নদী ও মোহনায় ডিম ছাড়তে আসে। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা নিরাপদে প্রজনন সম্পন্ন করতে পারে। জাটকা সংরক্ষণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ বা জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে। এই সময়ে ছোট মাছ বড় হওয়ার সুযোগ পায়।

সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা

বঙ্গোপসাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের সুষ্ঠু প্রজননের লক্ষ্যে প্রতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। নদীতে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাটকা রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনা নদীর চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় এবং পদ্মা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ সময়ে জাটকা ও ইলিশ নিধন, বিক্রি, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণও নিষিদ্ধ।

উৎপাদনের পরিসংখ্যান

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে ৭১ হাজার ১ মেট্রিক টন এবং সামুদ্রিক জলাশয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৩৭ মেট্রিক টন। দুই দশকে উৎপাদন প্রায় প্রতি বছর ১ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট উৎপাদন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন। তবে নদী দূষণ, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন ও অন্যান্য কারণে সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আরও কমে ৫ লাখ মেট্রিক টনে নেমেছে।

গবেষণা ও সরকারি পদক্ষেপ

চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সাল থেকে জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৫ সালে ইলিশের প্রজনন ও বিচরণ এলাকা অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়। ২০০৮ সালে মা ইলিশ রক্ষায় আশ্বিনের পূর্ণিমা কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। পরবর্তীতে গবেষণা জোরদার, অবৈধ জালবিরোধী অভিযান, টাস্কফোর্স গঠন, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইলিশ গবেষকরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলে মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারে এবং জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এতে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন বাড়ে। তারা মনে করেন, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস ইলিশের প্রজননের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাদের মতে, দূষণ ও জাটকা নিধন এখনো উৎপাদন ব্যাহত করছে। তবে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন আগের ধারা অনুযায়ী আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও ভিজিএফ কার্যক্রম চালু রয়েছে। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার জেলেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে। ইলিশ রক্ষায় নেওয়া এসব উদ্যোগের ফলে সামগ্রিকভাবে গত দুই দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। তবে সাম্প্রতিক দুই বছরের পতন নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

নিষেধাজ্ঞা কার্যকরেও কমেছে ইলিশের উৎপাদন, তবে দুই দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি

আপডেট সময় ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১২ মে ২০২৬ ইং, সময় : ১০:২৯মিনিট।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকরেও কমেছে ইলিশের উৎপাদন, তবে দুই দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ দেশ-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দামও। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মা ইলিশ রক্ষায় বছরে বিভিন্ন সময়ে তিন দফা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এসব সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়েন। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে—এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আসলে কতটা বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। ইলিশ গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দশকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ফলে দেশের নদী ও বঙ্গোপসাগরে ইলিশ আহরণের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে। তাদের মতে, এসব মৌসুমভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মাছের গড় ওজন ও আকারও আগের তুলনায় বেড়েছে। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, গত দুই বছরে ইলিশের উৎপাদন ৭১ হাজার মেট্রিক টন কমেছে। তবুও সামগ্রিকভাবে দুই দশকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

প্রতি বছর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে সাধারণত অক্টোবর মাসে ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। ২০২৫ সালে এই নিষেধাজ্ঞা ছিল ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে মা ইলিশ নদী ও মোহনায় ডিম ছাড়তে আসে। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা নিরাপদে প্রজনন সম্পন্ন করতে পারে। জাটকা সংরক্ষণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ বা জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে। এই সময়ে ছোট মাছ বড় হওয়ার সুযোগ পায়।

সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা

বঙ্গোপসাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের সুষ্ঠু প্রজননের লক্ষ্যে প্রতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। নদীতে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাটকা রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনা নদীর চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় এবং পদ্মা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ সময়ে জাটকা ও ইলিশ নিধন, বিক্রি, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণও নিষিদ্ধ।

উৎপাদনের পরিসংখ্যান

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে ৭১ হাজার ১ মেট্রিক টন এবং সামুদ্রিক জলাশয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৩৭ মেট্রিক টন। দুই দশকে উৎপাদন প্রায় প্রতি বছর ১ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট উৎপাদন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন। তবে নদী দূষণ, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন ও অন্যান্য কারণে সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আরও কমে ৫ লাখ মেট্রিক টনে নেমেছে।

গবেষণা ও সরকারি পদক্ষেপ

চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সাল থেকে জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৫ সালে ইলিশের প্রজনন ও বিচরণ এলাকা অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়। ২০০৮ সালে মা ইলিশ রক্ষায় আশ্বিনের পূর্ণিমা কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। পরবর্তীতে গবেষণা জোরদার, অবৈধ জালবিরোধী অভিযান, টাস্কফোর্স গঠন, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইলিশ গবেষকরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলে মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারে এবং জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এতে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন বাড়ে। তারা মনে করেন, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস ইলিশের প্রজননের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাদের মতে, দূষণ ও জাটকা নিধন এখনো উৎপাদন ব্যাহত করছে। তবে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন আগের ধারা অনুযায়ী আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও ভিজিএফ কার্যক্রম চালু রয়েছে। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার জেলেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে। ইলিশ রক্ষায় নেওয়া এসব উদ্যোগের ফলে সামগ্রিকভাবে গত দুই দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। তবে সাম্প্রতিক দুই বছরের পতন নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...