জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ৫ মে ২০২৬ ইং, মঙ্গলবার,সময় :০৪:৫১ মিনিট।তোফায়েল আহমেদকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা
ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। পলাতক থাকার কারণে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এ পরোয়ানা জারি করেন। মঙ্গলবার (৫ মে) মামলাটির অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। এদিন তোফায়েল আহমেদের পক্ষে তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে জানান, তার মক্কেল গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ বর্তমানে কাউকে চিনতে পারেন না এবং তার স্মৃতিশক্তি প্রায় লোপ পেয়েছে। শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কারণে তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয় এবং পরে তা উত্তোলন করা হয়। তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তিনি আরও জানান, আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারিত থাকলেও আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী আদালতে আবেদন করে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাস্তবিকভাবে তিনি কাউকে চিনতে পারেন না এবং তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে গেছে। তার মানসিক অসুস্থতা বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা পরীক্ষা করার আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর আবেদনও করা হয়। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষ থেকে এ আবেদনের বিরোধিতা করা হয়। তাদের বক্তব্য, আসামি পলাতক অবস্থায় থাকলে এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় এবং তাকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত আসামিপক্ষের আবেদন নামঞ্জুর করে আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন। উল্লেখ্য, তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে একজন জামিনে থেকে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

Reporter Name 




















