ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাবিতে ভুয়া ফটোকার্ড বিতর্ক—শিক্ষার্থীকে শোকজ, গঠন দুই তদন্ত কমিটি কুমিল্লায় অসৌজন্যমূলক আচরণ: বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখলেন প্রধান বিচারপতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধি, বাজারে নিত্যপণ্যের দামে নতুন চাপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউট কার্যনির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি যাত্রী কল্যাণ সমিতির নতুন পে-স্কেল, বদলি নীতি ও কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ কক্সবাজারের টেকনাফে তিন যুবকের গলা কাটা লাশ ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি দল যায়নি, মার্কিন অবস্থানের ওপর নির্ভর করছে আলোচনা রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং তাদের দ্রুত নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন নাদিয়া পাঠান পাপন, মা ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী—সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা

নতুন পে-স্কেল, বদলি নীতি ও কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ইং,সময়:০৮:৪৪ মিনিট।

নতুন পে-স্কেল, বদলি নীতি ও কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ

নতুন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। একাধিক কারণের ফলে এই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে প্রশাসনের কার্যক্রমে—কমছে কাজের গতি, বাড়ছে অনীহা। সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক কেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসক (ডিসি) অফিস এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মূলত তিনটি কারণে প্রশাসনে এই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রথমত, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। দ্বিতীয়ত, জনপ্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকারে বদলি ও পদায়নে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, পাশাপাশি বাড়ছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। তৃতীয়ত, অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে চাপ ও অসন্তোষ তৈরি করছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়লেও বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, বর্তমান বেতনে মাসিক ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে, ফলে ঋণগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভেতরে সমন্বয়হীনতা এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধির কথাও উঠে এসেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ১১১টি। এর মধ্যে বর্তমানে শূন্য রয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন। সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে। সর্বশেষ ২০১৫ সালে পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই নতুন পে-স্কেলের দাবিতে কর্মচারীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তাদের দাবি। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি আগামী বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান এবং কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি পালন করেছে। তাদের দাবি—দ্রুত নবম পে-স্কেল ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। এদিকে, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারির পর থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। ২৫ মে ২০২৫ জারি হওয়া এই অধ্যাদেশকে অনেকেই ‘নিয়ন্ত্রণমূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে আন্দোলনে অংশ নিলে বাধ্যতামূলক অবসরের বিধান থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে মিছিল, বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া স্থায়ী পদের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ বাড়ানোয় নিয়মিত কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আলোচনা ও পর্যালোচনা কমিটি গঠন করলেও কর্মচারীদের মধ্যে অবিশ্বাস এখনো কাটেনি। অন্যদিকে, অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর নির্দেশনাও অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিটের মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেরিতে আসা বা অনুমতি ছাড়া অফিস ত্যাগ করলে ছুটি কর্তনের কথা বলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা বলছেন, নতুন সময়সূচি মেনে চলা বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা কর্মীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি আকস্মিক পরিদর্শনের কারণে চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সচিবালয়ের কর্মচারী সমিতির নেতা আব্দুল খালেক বলেন, নতুন পে-স্কেল এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে, ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। রাজবাড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী (ছদ্মনাম সিরাজুল ইসলাম) জানান, নতুন অফিস আদেশ বাস্তবতার সঙ্গে সব জায়গায় সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও তা মেনে চলতে হচ্ছে। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার এক কর্মচারী বলেন, আকস্মিক পরিদর্শনের কারণে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়, এতে মানসিক চাপ বাড়ছে এবং কাজে মনোযোগ কমে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব জহুরুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরিতে নির্ধারিত বিধিমালা মেনেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে অতিরিক্ত কড়াকড়ি কোনো ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না।      

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিতে ভুয়া ফটোকার্ড বিতর্ক—শিক্ষার্থীকে শোকজ, গঠন দুই তদন্ত কমিটি

নতুন পে-স্কেল, বদলি নীতি ও কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ

আপডেট সময় ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ইং,সময়:০৮:৪৪ মিনিট।

নতুন পে-স্কেল, বদলি নীতি ও কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসনে বাড়ছে অসন্তোষ

নতুন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। একাধিক কারণের ফলে এই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে প্রশাসনের কার্যক্রমে—কমছে কাজের গতি, বাড়ছে অনীহা। সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক কেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসক (ডিসি) অফিস এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মূলত তিনটি কারণে প্রশাসনে এই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রথমত, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। দ্বিতীয়ত, জনপ্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকারে বদলি ও পদায়নে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, পাশাপাশি বাড়ছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। তৃতীয়ত, অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে চাপ ও অসন্তোষ তৈরি করছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়লেও বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, বর্তমান বেতনে মাসিক ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে, ফলে ঋণগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভেতরে সমন্বয়হীনতা এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধির কথাও উঠে এসেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ১১১টি। এর মধ্যে বর্তমানে শূন্য রয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন। সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে। সর্বশেষ ২০১৫ সালে পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই নতুন পে-স্কেলের দাবিতে কর্মচারীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তাদের দাবি। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি আগামী বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান এবং কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি পালন করেছে। তাদের দাবি—দ্রুত নবম পে-স্কেল ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। এদিকে, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারির পর থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। ২৫ মে ২০২৫ জারি হওয়া এই অধ্যাদেশকে অনেকেই ‘নিয়ন্ত্রণমূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে আন্দোলনে অংশ নিলে বাধ্যতামূলক অবসরের বিধান থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে মিছিল, বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া স্থায়ী পদের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ বাড়ানোয় নিয়মিত কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আলোচনা ও পর্যালোচনা কমিটি গঠন করলেও কর্মচারীদের মধ্যে অবিশ্বাস এখনো কাটেনি। অন্যদিকে, অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর নির্দেশনাও অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিটের মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেরিতে আসা বা অনুমতি ছাড়া অফিস ত্যাগ করলে ছুটি কর্তনের কথা বলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা বলছেন, নতুন সময়সূচি মেনে চলা বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা কর্মীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি আকস্মিক পরিদর্শনের কারণে চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সচিবালয়ের কর্মচারী সমিতির নেতা আব্দুল খালেক বলেন, নতুন পে-স্কেল এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে, ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। রাজবাড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী (ছদ্মনাম সিরাজুল ইসলাম) জানান, নতুন অফিস আদেশ বাস্তবতার সঙ্গে সব জায়গায় সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও তা মেনে চলতে হচ্ছে। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার এক কর্মচারী বলেন, আকস্মিক পরিদর্শনের কারণে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়, এতে মানসিক চাপ বাড়ছে এবং কাজে মনোযোগ কমে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব জহুরুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরিতে নির্ধারিত বিধিমালা মেনেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে অতিরিক্ত কড়াকড়ি কোনো ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না।      

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ.....