ঢাকা , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইসরায়েলে ড্রোন হামলা, নেতানিয়াহু টার্গেট ভিআইপি  বন্দিদের বিষাদময় ঈদ ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা সাভার-আশুলিয়া বাইপাইলে যানজট নিরসনে শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগ ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, স্বস্তিতে নগরবাসী প্রধানমন্ত্রী ঈদের ছুটিতেও সরকারি কাজের তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে ‘ইলেকশন’ দাবিতে জোর, শেষ মেয়াদের পর শুরু তীব্র আলোচনা রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালে বিরোধীদের ওয়াকআউট, প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়া বহাল, লিভ টু আপিল খারিজ

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ৪ ঘন্টা আগে
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৬ সময়: ৫:৩২ মিনিট

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপকে ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রশাসন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ দখল কিংবা অবরোধের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে বাধ্য করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত রাখতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে খারগ দ্বীপ দখলের মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খারগ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছে। ফলে এই দ্বীপ দখল বা অবরোধ করলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ইরানের সামরিক প্রতিরোধ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত নৌ ও মেরিন বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে খারগ দ্বীপে বিমান হামলাও চালানো হয়েছে, যা সম্ভাব্য বৃহত্তর সামরিক অভিযানের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, খারগ দ্বীপ ইস্যুতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বাড়াবে না, বরং বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। খারগ দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন পুরো বিশ্বের নজরে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলে ড্রোন হামলা, নেতানিয়াহু টার্গেট

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা

আপডেট সময় ৪ ঘন্টা আগে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৬ সময়: ৫:৩২ মিনিট

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপকে ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রশাসন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ দখল কিংবা অবরোধের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে বাধ্য করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত রাখতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে খারগ দ্বীপ দখলের মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খারগ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছে। ফলে এই দ্বীপ দখল বা অবরোধ করলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ইরানের সামরিক প্রতিরোধ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত নৌ ও মেরিন বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে খারগ দ্বীপে বিমান হামলাও চালানো হয়েছে, যা সম্ভাব্য বৃহত্তর সামরিক অভিযানের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, খারগ দ্বীপ ইস্যুতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বাড়াবে না, বরং বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। খারগ দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন পুরো বিশ্বের নজরে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....