ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বিএনপি মহাসচিবের
জেটিভি নিউজ বাংলা, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ৫:৩১ পিএম।
আলমগীর বলেছেন, ঠাকুরগাঁও বাংলাদেশের তুলনামূলক দরিদ্র অঞ্চল। এখানে বড় শিল্পকারখানা নেই বললেই চলে। সরকার গঠন করতে পারলে এ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বড় কলকারখানা প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় ছেলে-মেয়েদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর ও গড়েয়া এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিকে এ অঞ্চলের উন্নয়নের প্রধান খাত উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, কৃষকরা অনেক সময় ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না। চলতি মৌসুমে আলুর দাম না পাওয়ার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত উৎপাদন। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের আগাম পূর্বাভাস বা ফরকাস্ট থাকা জরুরি। কোনো একটি ফসলে অতিরিক্ত ঝুঁকলে বাজারে মূল্য বিপর্যয় দেখা দেয়।
স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে এখানকার মা-বোনেরা ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে তাকে দিয়েছিলেন। সেই ভালোবাসার ঋণ তিনি কখনো ভুলবেন না। বিগত নির্বাচনগুলোতে কথা বলার সুযোগ পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে, এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
পথসভায় তিনি বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ তাকে চেনে। সে সময় তিনি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। আজ পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে জনগণের আমানতের খেয়ানতের অভিযোগ তুলতে পারেনি।
নিজের ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতি করেছেন বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে। ঢাকায় ব্যবহৃত গাড়িটি ২০ বছরের পুরোনো। ঠাকুরগাঁওয়ে আসার জন্য যে গাড়িতে তিনি এসেছেন, সেটিও তার ব্যক্তিগত নয়, একজন সমর্থকের।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি মানুষ। এবার সেই সুযোগ এসেছে। ধানের শীষে ভোট দিলে সংসদে গিয়ে জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, ভিক্ষা নয়, কাজ করেই বাঁচতে চায় বিএনপি। ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়ন করতে হলে মা-বোন ও যুবসমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ.....