📰
ভোলার বোরহানউদ্দিনে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ: আহত ১৫, একজন গুরুতর
ভোলা প্রতিনিধি: জেটিভি নিউজ বাংলা
২৬ জানুয়ারি,২০২৬ ইংরেজি, ৬:৫৩ পিএম।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনা রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে বোরহানগঞ্জ বাজারে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক সড়কে ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাস ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতা আকবর হাওলাদার অভিযোগ করেন, পক্ষিয়া ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই ইউনিয়নের জামায়াত একটি মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল হাওলাদারকে তুলে নিয়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে বিএনপির অন্তর মাতব্বর, লিমন মাতব্বর ও রাজু তাদের উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও হামলার শিকার হতে হয়।
আকবর হাওলাদার আরও বলেন, পরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মাতব্বর ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদেরও লাঞ্ছিত করা হয়। বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মাতব্বরসহ ছয়জন আহত হন। আহতরা বর্তমানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাকসুদুর রহমান বলেন, মাগরিবের নামাজের পর বোরহানগঞ্জ বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে জামায়াত একটি মিছিল বের করে। এ সময় বিএনপির কর্মীরা হামলা চালালে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী আহত হন। পরে নুরুল ইসলাম মাস্টার নামে একজন জামায়াতকর্মী বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....