ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

তুরাগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজে রাজধানীতে চরম সংকট

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

তুরাগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজে রাজধানীতে চরম সংকট স্বল্পচাপে রান্না বন্ধ, দুর্ভোগে নগরবাসী

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা,ফাইল ছবি  ৯ জানুয়ারি ২০২৬,২:৩৭ পিএম।

নোঙরের আঘাতে তুরাগ নদীর নিচে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইন মেরামত করা হলেও পুরোপুরি সমাধান হয়নি লিকেজ সমস্যা। মেরামতকালে পাইপলাইনে পানি ঢুকে পড়ায় রাজধানী ঢাকায় গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে মারাত্মক স্বল্পচাপ। এতে শীতকালীন সংকটের মধ্যে নতুন করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে আমিন বাজার এলাকায় তুরাগ নদীর নিচে ক্ষতিগ্রস্ত বিতরণ গ্যাস পাইপলাইনের মেরামত কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে মেরামত সম্পন্ন হলেও কাজের সময় পাইপলাইনে পানি প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, অনেক এলাকায় একেবারেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম ছিল। নতুন করে চাপ আরও কমিয়ে দেওয়ায় বুধবার থেকেই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনভর পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ঘরে ঘরে রান্না কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। তিতাস গ্যাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পাইপলাইনে পানি প্রবেশ এবং সার্বিকভাবে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় মহানগরীতে স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। সমস্যা সমাধানে মেরামত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। রান্নাঘরে চরম দুর্ভোগ ছুটির দিনেও গ্যাসের চাপ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা। কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই, আবার কোথাও নিভু নিভু আগুনে পানিও ফুটছে না। রামপুরার বাসিন্দা বিলকিস আক্তার বলেন, “আগে দিনে নিভু নিভু গ্যাস থাকলেও সন্ধ্যায় রান্না করা যেত। এখন দিন-রাত কোনোটাতেই গ্যাস নেই। রাইস কুকারে কোনোমতে চলছি। এলপিজি ব্যবহার করতাম, কিন্তু এখন সিলিন্ডার সংকট। বাড়তি দামে গ্যাস কিনতেও হচ্ছে।” উলনের বাসিন্দা কাজী মিলি জানান, “এখন একেবারেই গ্যাস নাই। বাধ্য হয়ে ইলেকট্রিক চুলায় রান্না করছি। একদিকে গ্যাসের বিল দিচ্ছি, অন্যদিকে বিদ্যুতের বিলও বেড়ে যাচ্ছে।” কোন কোন এলাকায় বেশি ভোগান্তি তিতাস সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইন লিকেজের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাবতলী থেকে আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, বসিলা, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকাগুলো। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা শাকিলা রহমান বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ বেশি চাপে গ্যাস এসেছিল। ১০ মিনিট পরই আগুন চলে যায়। এরপর আর আসেনি। এখন ইলেকট্রিক চুলায় নির্ভর করতে হচ্ছে।” চাপ কমিয়ে চলছে মেরামত তিতাস গ্যাস জানায়, বুধবার থেকে সারা ঢাকায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে মেরামত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক মেরামতের পর আবারও পাইপলাইনে পানি ঢুকে পড়ায় কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেটিভি নিউজ বাংলা, অর্থ/ বানিজ্য

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

তুরাগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজে রাজধানীতে চরম সংকট

আপডেট সময় ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
তুরাগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজে রাজধানীতে চরম সংকট স্বল্পচাপে রান্না বন্ধ, দুর্ভোগে নগরবাসী

জেটিভি নিউজ বাংলা, নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা,ফাইল ছবি  ৯ জানুয়ারি ২০২৬,২:৩৭ পিএম।

নোঙরের আঘাতে তুরাগ নদীর নিচে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপলাইন মেরামত করা হলেও পুরোপুরি সমাধান হয়নি লিকেজ সমস্যা। মেরামতকালে পাইপলাইনে পানি ঢুকে পড়ায় রাজধানী ঢাকায় গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে মারাত্মক স্বল্পচাপ। এতে শীতকালীন সংকটের মধ্যে নতুন করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে আমিন বাজার এলাকায় তুরাগ নদীর নিচে ক্ষতিগ্রস্ত বিতরণ গ্যাস পাইপলাইনের মেরামত কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে মেরামত সম্পন্ন হলেও কাজের সময় পাইপলাইনে পানি প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, অনেক এলাকায় একেবারেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম ছিল। নতুন করে চাপ আরও কমিয়ে দেওয়ায় বুধবার থেকেই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনভর পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ঘরে ঘরে রান্না কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। তিতাস গ্যাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পাইপলাইনে পানি প্রবেশ এবং সার্বিকভাবে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় মহানগরীতে স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। সমস্যা সমাধানে মেরামত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। রান্নাঘরে চরম দুর্ভোগ ছুটির দিনেও গ্যাসের চাপ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা। কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই, আবার কোথাও নিভু নিভু আগুনে পানিও ফুটছে না। রামপুরার বাসিন্দা বিলকিস আক্তার বলেন, “আগে দিনে নিভু নিভু গ্যাস থাকলেও সন্ধ্যায় রান্না করা যেত। এখন দিন-রাত কোনোটাতেই গ্যাস নেই। রাইস কুকারে কোনোমতে চলছি। এলপিজি ব্যবহার করতাম, কিন্তু এখন সিলিন্ডার সংকট। বাড়তি দামে গ্যাস কিনতেও হচ্ছে।” উলনের বাসিন্দা কাজী মিলি জানান, “এখন একেবারেই গ্যাস নাই। বাধ্য হয়ে ইলেকট্রিক চুলায় রান্না করছি। একদিকে গ্যাসের বিল দিচ্ছি, অন্যদিকে বিদ্যুতের বিলও বেড়ে যাচ্ছে।” কোন কোন এলাকায় বেশি ভোগান্তি তিতাস সূত্রে জানা গেছে, এই পাইপলাইন লিকেজের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাবতলী থেকে আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, বসিলা, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকাগুলো। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা শাকিলা রহমান বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ বেশি চাপে গ্যাস এসেছিল। ১০ মিনিট পরই আগুন চলে যায়। এরপর আর আসেনি। এখন ইলেকট্রিক চুলায় নির্ভর করতে হচ্ছে।” চাপ কমিয়ে চলছে মেরামত তিতাস গ্যাস জানায়, বুধবার থেকে সারা ঢাকায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে মেরামত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক মেরামতের পর আবারও পাইপলাইনে পানি ঢুকে পড়ায় কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেটিভি নিউজ বাংলা, অর্থ/ বানিজ্য