ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরছেন তারেক রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে


দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরছেন তারেক রহমান

 

গুলশানে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা বিএনপির প্রস্তুতির চিত্র

  স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা   দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকায় বিরাজ করছে ব্যাপক ব্যস্ততা ও প্রস্তুতি। তাঁর আগমন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঢেকে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়। গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি বর্তমানে কার্যত একটি শক্ত নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর এই বাসভবনেই উঠবেন তারেক রহমান। বাড়িটির ভেতরে ও চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রবেশপথে চালু করা হয়েছে বিশেষ পাস ব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় রেখে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। সম্প্রতি বাড়িটির দলিলপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সংস্কার, বসবাস উপযোগী পরিবেশ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শুধু বাসভবন নয়, গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়েও তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আলাদা চেম্বার। এখানেও যুক্ত করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া, গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কের ১০/সি নম্বর একটি চারতলা ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছে বিএনপির নতুন সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে। নতুন এই ভবনে রয়েছে আধুনিক ব্রিফিং রুম, গবেষণা সেল, বিভিন্ন বিভাগীয় দপ্তর এবং সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই এখান থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দলের কৌশলগত রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার নতুন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরবেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জনগণের মাঝে যে আবেগ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।” দলীয় নেতাদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়—এটি বিএনপির রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর সেই অধ্যায় শুরুর আগেই গুলশানে তাঁর বাসভবন ও কার্যালয় ঘিরে তৈরি হয়েছে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য—দুই ধরনের নিরাপত্তার শক্ত চাদর।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরছেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরছেন তারেক রহমান

 

গুলশানে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা বিএনপির প্রস্তুতির চিত্র

  স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা   দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকায় বিরাজ করছে ব্যাপক ব্যস্ততা ও প্রস্তুতি। তাঁর আগমন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঢেকে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়। গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি বর্তমানে কার্যত একটি শক্ত নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর এই বাসভবনেই উঠবেন তারেক রহমান। বাড়িটির ভেতরে ও চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রবেশপথে চালু করা হয়েছে বিশেষ পাস ব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় রেখে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। সম্প্রতি বাড়িটির দলিলপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সংস্কার, বসবাস উপযোগী পরিবেশ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শুধু বাসভবন নয়, গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়েও তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আলাদা চেম্বার। এখানেও যুক্ত করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া, গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কের ১০/সি নম্বর একটি চারতলা ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছে বিএনপির নতুন সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে। নতুন এই ভবনে রয়েছে আধুনিক ব্রিফিং রুম, গবেষণা সেল, বিভিন্ন বিভাগীয় দপ্তর এবং সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই এখান থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দলের কৌশলগত রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার নতুন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরবেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জনগণের মাঝে যে আবেগ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।” দলীয় নেতাদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়—এটি বিএনপির রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর সেই অধ্যায় শুরুর আগেই গুলশানে তাঁর বাসভবন ও কার্যালয় ঘিরে তৈরি হয়েছে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য—দুই ধরনের নিরাপত্তার শক্ত চাদর।