ঢাকা
,
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬
যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ?
২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের
কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা
বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর
প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা
বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস
১৩ নভেম্বর কোনো বাকশালপন্থীকে রাজপথে নামতে দেব না: মামুনুল হক
-
Reporter Name - আপডেট সময় ০৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
- ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
জেটিভি নিউজ বাংলা, স্টাফ রিপোর্টার
আগামী ১৩ নভেম্বর কোনো বাকশালপন্থীকে বাংলার রাজপথে নামতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, “যদি কেউ ওইদিন রাজপথে নামার অপচেষ্টা চালায়, আমরা তাদের রাজপথেই মোকাবিলা করবো ইনশাআল্লাহ।”
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টন মোড়ে সমমনা আট রাজনৈতিক দলের যৌথ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক আদেশ জারি ও নভেম্বর মাসেই গণভোট আয়োজন, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মামুনুল হক বলেন, “ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে দাঁড়িয়ে আমি স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি—বাংলাদেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত। এক ভাগ ‘৭২-এর বাকশালপন্থী, আরেক ভাগ জুলাইয়ের বিপ্লবপন্থী। আজ দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও পক্ষকে আমি আহ্বান জানাই—আপনার অবস্থান পরিষ্কার করুন। আপনি কি জুলাই বিপ্লবের পক্ষে, না কি ৭২-এর বাকশালপন্থী?”
তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব সহস্রাধিক তাজা প্রাণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। এই বিপ্লবের রূপরেখা নির্ধারণের জন্যই জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে। এটি কেবল কোনো কাগজ নয়, বরং আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা। তাই আমরা দাবি করছি—অনতিবিলম্বে জুলাই সনদকে সরকারি আদেশের মাধ্যমে আইনি ভিত্তি দিতে হবে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দিতে হবে।”
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, “জুলাই সনদকে গণভোট ব্যতীত বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে জুলাই বিপ্লবপন্থীরা তা বরদাশত করবে না। এই সনদ আমাদের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত—এটি বাংলার মাটিতে উপেক্ষিত হতে পারে না।”
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে জটিলতা সৃষ্টি হবে জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, “জুলাই সনদের গণভোট নিয়ে বিরোধিতার কোনো যুক্তি নেই। যারা এটি ঠেকাতে চাইছে, তারা আবারও দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করছে।”
সমাবেশে তিনি আহ্বান জানান, “রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এখন দরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। নির্বাচনে কে কাকে ভোট দেবে, সেটি পরে ভাবা যাবে; এখন প্রয়োজন সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ১৩ তারিখে জুলাই সনদের গণভোট বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে আমরা তাকিয়ে আছি। যদি সরকার জনগণের দাবি না বোঝে, আমরা সেই ভাষাতেই জবাব দেব—যে ভাষায় তারা বুঝে। ইনশাআল্লাহ, আমরা প্রস্তুত।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম (পীরসাহেব চরমোনাই), নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ






















