ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

চট্টগ্রামে মেয়রের ব্যানার সরানো নিয়ে সংঘর্ষে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ৮

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা চট্টগ্রাম:

‎চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার এক্সেস রোড এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত ব্যানার টানানো ও সরানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. সাজ্জাদ (২৬) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ‎ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে। ‎ঘটনার সূত্রপাত: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেয়রের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে সোমবার গভীর রাতে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই সাজ্জাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং কয়েকজন আহত হন। ‎অন্য এক সূত্র জানায়, এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য ও মাদক ব্যবসা–সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা: ‎স্থানীয় মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “মধ্যরাতে হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরে দেখি কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।” দলের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ: চমেক হাসপাতালে ছাত্রদলের নেতা পরিচয়ে জিএম সালাউদ্দিন আসাদ বলেন, “যুবলীগের সন্ত্রাসীরা যুবদলের পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করছে। মেয়রের ছবি লাগিয়ে ব্যানার ঝুলিয়েছিল তারা। মেয়রের নির্দেশে আমাদের ছেলেরা ব্যানার খুলতে গেলে তাদের তুলে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে ছাদ থেকে গুলি চালানো হয়।” ‎চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা এমদাদুল বাদশা বলেন, “গুলির আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। হামলাকারীরা আগে যুবলীগ করত, এখন যুবদলের নাম ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করছে।”

‎পুলিশের বক্তব্য:

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশিক জানান, “গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুকে গুলির আঘাত ছিল। আহত আরও আটজন চিকিৎসাধীন আছেন।” ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় টহল জোরদার করেছে। ‎📅 প্রকাশের তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ‎🖊️ প্রতিবেদন: জেটিভি নিউজ বাংলা বিশেষ প্রতিনিধি

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

চট্টগ্রামে মেয়রের ব্যানার সরানো নিয়ে সংঘর্ষে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ৮

আপডেট সময় ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা চট্টগ্রাম:

‎চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার এক্সেস রোড এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত ব্যানার টানানো ও সরানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. সাজ্জাদ (২৬) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ‎ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে। ‎ঘটনার সূত্রপাত: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেয়রের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে সোমবার গভীর রাতে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই সাজ্জাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং কয়েকজন আহত হন। ‎অন্য এক সূত্র জানায়, এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য ও মাদক ব্যবসা–সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা: ‎স্থানীয় মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “মধ্যরাতে হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরে দেখি কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।” দলের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ: চমেক হাসপাতালে ছাত্রদলের নেতা পরিচয়ে জিএম সালাউদ্দিন আসাদ বলেন, “যুবলীগের সন্ত্রাসীরা যুবদলের পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করছে। মেয়রের ছবি লাগিয়ে ব্যানার ঝুলিয়েছিল তারা। মেয়রের নির্দেশে আমাদের ছেলেরা ব্যানার খুলতে গেলে তাদের তুলে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে ছাদ থেকে গুলি চালানো হয়।” ‎চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা এমদাদুল বাদশা বলেন, “গুলির আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। হামলাকারীরা আগে যুবলীগ করত, এখন যুবদলের নাম ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করছে।”

‎পুলিশের বক্তব্য:

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশিক জানান, “গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুকে গুলির আঘাত ছিল। আহত আরও আটজন চিকিৎসাধীন আছেন।” ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় টহল জোরদার করেছে। ‎📅 প্রকাশের তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ‎🖊️ প্রতিবেদন: জেটিভি নিউজ বাংলা বিশেষ প্রতিনিধি