জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১ জুন ২০২৬ ইং | সময়: সকাল ১০:৩২ মিনিট ছবি সংগৃহীতপল্লবীর শিশু হত্যা মামলায় আদালতে সোহেল-স্বপ্না, আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর আট বছরের শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে আটটার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে তাদের আদালতে আনা হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্নাকে রাখা হয়েছে নারী হাজতখানায়। আজ দুই আসামির উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মহানগর দায়রা জজ আদালতের ইনচার্জ রিপন মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা কৌশলে তাকে একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে তার মা আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান। এরপর ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কক্ষের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। ভেতরে ঢুকে সোহেল ও স্বপ্নার শোয়ার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং একটি বালতির মধ্যে তার মাথা দেখতে পান তারা। ঘটনার সময় স্বপ্না সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিনে আদালত স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তদন্ত শেষে গত ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

ডেস্ক রিপোর্ট 



















