ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

বিমানবন্দরে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার মোবাইল-টাকা-চেতনানাশক

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৭ মে ২০২৬ ইং | সময়: ৪:৩৯ মিনিট।

বিমানবন্দরে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার মোবাইল-টাকা-চেতনানাশক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সক্রিয় অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা মো. তাজুল ইসলামকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শনিবার (১৬ মে) রাতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। এপিবিএন জানায়, শনিবার (১৬ মে) ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) তার খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। বিদায় পর্ব শেষে ডিপার্চার এলাকায় অবস্থানকালে তাজুল ইসলামের দেওয়া কফি পান করেন তিনি। পরে কফি পান করার পর আরাফাত অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনার পর এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার ‘হোটেল রয়েলে’ অভিযান চালায়। অভিযানে ৫৫টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি বিভিন্ন মডেলের এয়ারবাড হেডফোন, ১৫টি হাতঘড়ি, চার পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট, দুটি চেতনানাশক পুরিয়া, নগদ বাংলাদেশি ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা, সৌদি আরবের ৫৩ দশমিক ৫০ রিয়াল, তুরস্কের ১ লিরা এবং বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রবিবার (১৭ মে) ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিমানবন্দর থানায় তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল ইসলাম পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, তারা বাস ও রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে সম্ভাব্য টার্গেট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতেন। পরে চা, কফি কিংবা সফট ড্রিংকের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাদের অজ্ঞান করে মূল্যবান মালামাল হাতিয়ে নিতেন। সন্দেহ এড়াতে মাঝে মাঝে তারা শারীরিকভাবে অক্ষম বা অসুস্থ ব্যক্তির অভিনয়ও করতেন বলে জানান তিনি। আসামির দেওয়া তথ্যমতে, তাজুল ইসলাম আরও চার থেকে পাঁচ জন সদস্যকে নিয়ে একটি অজ্ঞান পার্টির গ্যাং গড়ে তুলেছেন। চুরি করা মালামাল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে সংরক্ষণ করে রাখা হতো বলেও তিনি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) অনিতা রানী সূত্রধর বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ, চোরাচালান রোধ এবং অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধে তাদের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

বিমানবন্দরে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার মোবাইল-টাকা-চেতনানাশক

আপডেট সময় ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ১৭ মে ২০২৬ ইং | সময়: ৪:৩৯ মিনিট।

বিমানবন্দরে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার মোবাইল-টাকা-চেতনানাশক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সক্রিয় অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা মো. তাজুল ইসলামকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শনিবার (১৬ মে) রাতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। এপিবিএন জানায়, শনিবার (১৬ মে) ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) তার খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। বিদায় পর্ব শেষে ডিপার্চার এলাকায় অবস্থানকালে তাজুল ইসলামের দেওয়া কফি পান করেন তিনি। পরে কফি পান করার পর আরাফাত অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনার পর এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার ‘হোটেল রয়েলে’ অভিযান চালায়। অভিযানে ৫৫টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি বিভিন্ন মডেলের এয়ারবাড হেডফোন, ১৫টি হাতঘড়ি, চার পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট, দুটি চেতনানাশক পুরিয়া, নগদ বাংলাদেশি ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা, সৌদি আরবের ৫৩ দশমিক ৫০ রিয়াল, তুরস্কের ১ লিরা এবং বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রবিবার (১৭ মে) ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিমানবন্দর থানায় তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল ইসলাম পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, তারা বাস ও রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে সম্ভাব্য টার্গেট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতেন। পরে চা, কফি কিংবা সফট ড্রিংকের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাদের অজ্ঞান করে মূল্যবান মালামাল হাতিয়ে নিতেন। সন্দেহ এড়াতে মাঝে মাঝে তারা শারীরিকভাবে অক্ষম বা অসুস্থ ব্যক্তির অভিনয়ও করতেন বলে জানান তিনি। আসামির দেওয়া তথ্যমতে, তাজুল ইসলাম আরও চার থেকে পাঁচ জন সদস্যকে নিয়ে একটি অজ্ঞান পার্টির গ্যাং গড়ে তুলেছেন। চুরি করা মালামাল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে সংরক্ষণ করে রাখা হতো বলেও তিনি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) অনিতা রানী সূত্রধর বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ, চোরাচালান রোধ এবং অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধে তাদের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....