ঢাকা , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে বসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর সম্ভাব্য আলোচনার নতুন আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা পতনে পোশাক রপ্তানি, কর্মসংস্থানে শঙ্কার মেঘ কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে! ঈদের খুনসুটি নাকি ‘অতিরিক্ত আবেগ’—ট্রলে সরব নেটদুনিয়া পরিবারের বাইরে, দায়িত্বেই ঈদ—রাজধানীর সড়কে ব্যস্ত ট্রাফিক পুলিশ ঈদের দিনেও রাজধানীতে সচল গণপরিবহন, যাত্রী কম হলেও চলছে বাস-সিএনজি ইসরায়েলে ড্রোন হামলা, নেতানিয়াহু টার্গেট ভিআইপি  বন্দিদের বিষাদময় ঈদ ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা

ভেনেজুয়েলার পর কিউবাকে লক্ষ্য করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, নতুন সংকটের আশঙ্কা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

ভেনেজুয়েলার পর কিউবাকে লক্ষ্য করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, নতুন সংকটের আশঙ্কা জেটিভি নিউজ বাংলা, আন্তর্জাতিক ডেস্ক,  ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ৪:২০ পিএম। ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার প্রতিবেশী দেশ কিউবাকে ঘিরে কড়া হুমকির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে দেশটির জনগণকে ‘সাহায্য’ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা অভিযান কিউবার জন্যও একটি বার্তা হওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, “আমার মনে হয় কিউবা এমন একটি বিষয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের কথা বলতে হবে। কারণ, কিউবা এখন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।” কিউবার জনগণকে সহায়তা করার ইচ্ছার কথাও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ভেতরে থাকা সাধারণ মানুষ এবং কিউবা থেকে বিতাড়িত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে চায়। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে কিউবা। ভেনেজুয়েলা ও কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘সমস্যা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি যদি হাভানায় থাকতাম এবং সরকারের অংশ হতাম, তাহলে অন্তত কিছুটা হলেও চিন্তিত হতাম।” ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক থিংক ট্যাংক ভালদাই ডিসকাশন ক্লাব–এর সদস্য আন্দ্রে কর্তুনভ বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কিউবা আরও প্রযুক্তিগত ও সামরিক সহায়তার জন্য রাশিয়ার দ্বারস্থ হতে পারে। একই সঙ্গে মস্কোও কিউবাকে রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন দিতে আগ্রহী হতে পারে। লাতিন আমেরিকায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের ইতিহাস নতুন নয়। ১৯৬১ সালে ফিদেল কাস্ত্রোকে উৎখাতের লক্ষ্যে চালানো ব্যর্থ ‘বে অব পিগস’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল। পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কিউবার দিকে আগ্রাসী নীতি নেয়, তাহলে হাভানা ফের ঐতিহাসিক মিত্র মস্কোর ঘনিষ্ঠ হতে পারে। এতে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।     সূত্র লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস, আল–জাজিরা, ইকোনমিক টাইমস, ফক্স নিউজ   — জেটিভি নিউজ বাংলা

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে বসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

ভেনেজুয়েলার পর কিউবাকে লক্ষ্য করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, নতুন সংকটের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
ভেনেজুয়েলার পর কিউবাকে লক্ষ্য করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, নতুন সংকটের আশঙ্কা জেটিভি নিউজ বাংলা, আন্তর্জাতিক ডেস্ক,  ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ৪:২০ পিএম। ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার প্রতিবেশী দেশ কিউবাকে ঘিরে কড়া হুমকির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে দেশটির জনগণকে ‘সাহায্য’ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা অভিযান কিউবার জন্যও একটি বার্তা হওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, “আমার মনে হয় কিউবা এমন একটি বিষয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের কথা বলতে হবে। কারণ, কিউবা এখন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।” কিউবার জনগণকে সহায়তা করার ইচ্ছার কথাও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ভেতরে থাকা সাধারণ মানুষ এবং কিউবা থেকে বিতাড়িত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে চায়। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে কিউবা। ভেনেজুয়েলা ও কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘সমস্যা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি যদি হাভানায় থাকতাম এবং সরকারের অংশ হতাম, তাহলে অন্তত কিছুটা হলেও চিন্তিত হতাম।” ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক থিংক ট্যাংক ভালদাই ডিসকাশন ক্লাব–এর সদস্য আন্দ্রে কর্তুনভ বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কিউবা আরও প্রযুক্তিগত ও সামরিক সহায়তার জন্য রাশিয়ার দ্বারস্থ হতে পারে। একই সঙ্গে মস্কোও কিউবাকে রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন দিতে আগ্রহী হতে পারে। লাতিন আমেরিকায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের ইতিহাস নতুন নয়। ১৯৬১ সালে ফিদেল কাস্ত্রোকে উৎখাতের লক্ষ্যে চালানো ব্যর্থ ‘বে অব পিগস’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল। পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কিউবার দিকে আগ্রাসী নীতি নেয়, তাহলে হাভানা ফের ঐতিহাসিক মিত্র মস্কোর ঘনিষ্ঠ হতে পারে। এতে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।     সূত্র লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস, আল–জাজিরা, ইকোনমিক টাইমস, ফক্স নিউজ   — জেটিভি নিউজ বাংলা