ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা 

 

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  পাবনা প্রতিনিধি ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫   দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার সাঁথিয়া ও সুজানগরে মাঠ থেকে মাত্র ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে ৫৮–৬০ টাকায় কেনা একই পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৭৫–৮০ টাকা এবং খুচরায় পৌঁছে যাচ্ছে ৯০–১০০ টাকায়। রাজধানীতে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১২০ টাকায়। এতে লাভের ভাগ বাড়ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা। সোমবার সাঁথিয়া ও সুজানগরের করমজা চতুরহাট ঘুরে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে মুড়িকাটার মণ ৩,৮০০ থেকে ৪,০০০ টাকা ছিল। আমদানি শুরুর খবরে তা নেমে এসেছে ২,০০০ থেকে ২,৪০০ টাকায়। নতুন দামেও কৃষকরা কিছুটা লাভবান হলেও বাজারে অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে হাতবদলের কারণে। আড়তদার মিনজার আলী বলেন, “কৃষকরা ৬০ টাকার কাছাকাছি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। উৎপাদন খরচ বাদ দিলেও লাভ আছে। আমরা ১০ টাকা লাভে খুচরা বাজারে দিচ্ছি।” অন্যদিকে, শরৎনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা মুকুল হোসেন জানান, গত সপ্তাহে পাইকারি দরে ৭৫–৮০ টাকায় কিনে ১০০–১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে দাম কিছুটা কমে ৯৫–১০০ টাকায় নেমেছে। দেশি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করেন—দাম বাড়লেই বাজারে চাপ পড়ে। অনেকে অল্প কিনে চলছেন, কেউ কেউ কম খাচ্ছেন। এদিকে কৃষক সুমিত মন্ডল বলেন, “গত কয়েক বছর পেঁয়াজে লাভ না হলেও এবার শুরুতেই ভালো দাম পেয়েছি। তবে এখন যারা তুলছেন তাদের লাভ কম হবে, কারণ আমদানির কারণে দাম কমে গেছে।” কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সুজানগরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ৩২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সাঁথিয়ায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,৬১০ হেক্টর থেকে উৎপাদন আশা ২৫ হাজার ৫৬৬ টন। জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চারা কাটা পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে। ততদিন বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

আপডেট সময় ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ বাংলা 

 

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  পাবনা প্রতিনিধি ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫   দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার সাঁথিয়া ও সুজানগরে মাঠ থেকে মাত্র ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে ৫৮–৬০ টাকায় কেনা একই পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৭৫–৮০ টাকা এবং খুচরায় পৌঁছে যাচ্ছে ৯০–১০০ টাকায়। রাজধানীতে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১২০ টাকায়। এতে লাভের ভাগ বাড়ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা। সোমবার সাঁথিয়া ও সুজানগরের করমজা চতুরহাট ঘুরে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে মুড়িকাটার মণ ৩,৮০০ থেকে ৪,০০০ টাকা ছিল। আমদানি শুরুর খবরে তা নেমে এসেছে ২,০০০ থেকে ২,৪০০ টাকায়। নতুন দামেও কৃষকরা কিছুটা লাভবান হলেও বাজারে অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে হাতবদলের কারণে। আড়তদার মিনজার আলী বলেন, “কৃষকরা ৬০ টাকার কাছাকাছি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। উৎপাদন খরচ বাদ দিলেও লাভ আছে। আমরা ১০ টাকা লাভে খুচরা বাজারে দিচ্ছি।” অন্যদিকে, শরৎনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা মুকুল হোসেন জানান, গত সপ্তাহে পাইকারি দরে ৭৫–৮০ টাকায় কিনে ১০০–১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে দাম কিছুটা কমে ৯৫–১০০ টাকায় নেমেছে। দেশি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করেন—দাম বাড়লেই বাজারে চাপ পড়ে। অনেকে অল্প কিনে চলছেন, কেউ কেউ কম খাচ্ছেন। এদিকে কৃষক সুমিত মন্ডল বলেন, “গত কয়েক বছর পেঁয়াজে লাভ না হলেও এবার শুরুতেই ভালো দাম পেয়েছি। তবে এখন যারা তুলছেন তাদের লাভ কম হবে, কারণ আমদানির কারণে দাম কমে গেছে।” কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সুজানগরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ৩২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সাঁথিয়ায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,৬১০ হেক্টর থেকে উৎপাদন আশা ২৫ হাজার ৫৬৬ টন। জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চারা কাটা পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে। ততদিন বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে।