ঢাকা , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে বসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর সম্ভাব্য আলোচনার নতুন আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা পতনে পোশাক রপ্তানি, কর্মসংস্থানে শঙ্কার মেঘ কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে! ঈদের খুনসুটি নাকি ‘অতিরিক্ত আবেগ’—ট্রলে সরব নেটদুনিয়া পরিবারের বাইরে, দায়িত্বেই ঈদ—রাজধানীর সড়কে ব্যস্ত ট্রাফিক পুলিশ ঈদের দিনেও রাজধানীতে সচল গণপরিবহন, যাত্রী কম হলেও চলছে বাস-সিএনজি ইসরায়েলে ড্রোন হামলা, নেতানিয়াহু টার্গেট ভিআইপি  বন্দিদের বিষাদময় ঈদ ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা 

 

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  পাবনা প্রতিনিধি ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫   দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার সাঁথিয়া ও সুজানগরে মাঠ থেকে মাত্র ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে ৫৮–৬০ টাকায় কেনা একই পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৭৫–৮০ টাকা এবং খুচরায় পৌঁছে যাচ্ছে ৯০–১০০ টাকায়। রাজধানীতে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১২০ টাকায়। এতে লাভের ভাগ বাড়ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা। সোমবার সাঁথিয়া ও সুজানগরের করমজা চতুরহাট ঘুরে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে মুড়িকাটার মণ ৩,৮০০ থেকে ৪,০০০ টাকা ছিল। আমদানি শুরুর খবরে তা নেমে এসেছে ২,০০০ থেকে ২,৪০০ টাকায়। নতুন দামেও কৃষকরা কিছুটা লাভবান হলেও বাজারে অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে হাতবদলের কারণে। আড়তদার মিনজার আলী বলেন, “কৃষকরা ৬০ টাকার কাছাকাছি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। উৎপাদন খরচ বাদ দিলেও লাভ আছে। আমরা ১০ টাকা লাভে খুচরা বাজারে দিচ্ছি।” অন্যদিকে, শরৎনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা মুকুল হোসেন জানান, গত সপ্তাহে পাইকারি দরে ৭৫–৮০ টাকায় কিনে ১০০–১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে দাম কিছুটা কমে ৯৫–১০০ টাকায় নেমেছে। দেশি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করেন—দাম বাড়লেই বাজারে চাপ পড়ে। অনেকে অল্প কিনে চলছেন, কেউ কেউ কম খাচ্ছেন। এদিকে কৃষক সুমিত মন্ডল বলেন, “গত কয়েক বছর পেঁয়াজে লাভ না হলেও এবার শুরুতেই ভালো দাম পেয়েছি। তবে এখন যারা তুলছেন তাদের লাভ কম হবে, কারণ আমদানির কারণে দাম কমে গেছে।” কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সুজানগরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ৩২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সাঁথিয়ায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,৬১০ হেক্টর থেকে উৎপাদন আশা ২৫ হাজার ৫৬৬ টন। জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চারা কাটা পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে। ততদিন বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে বসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

আপডেট সময় ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ বাংলা 

 

কৃষকের ৬০ টাকার নতুন পেঁয়াজ হাত ঘুরেই ১০০

  পাবনা প্রতিনিধি ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫   দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার সাঁথিয়া ও সুজানগরে মাঠ থেকে মাত্র ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে ৫৮–৬০ টাকায় কেনা একই পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৭৫–৮০ টাকা এবং খুচরায় পৌঁছে যাচ্ছে ৯০–১০০ টাকায়। রাজধানীতে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১২০ টাকায়। এতে লাভের ভাগ বাড়ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা। সোমবার সাঁথিয়া ও সুজানগরের করমজা চতুরহাট ঘুরে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে মুড়িকাটার মণ ৩,৮০০ থেকে ৪,০০০ টাকা ছিল। আমদানি শুরুর খবরে তা নেমে এসেছে ২,০০০ থেকে ২,৪০০ টাকায়। নতুন দামেও কৃষকরা কিছুটা লাভবান হলেও বাজারে অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে হাতবদলের কারণে। আড়তদার মিনজার আলী বলেন, “কৃষকরা ৬০ টাকার কাছাকাছি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। উৎপাদন খরচ বাদ দিলেও লাভ আছে। আমরা ১০ টাকা লাভে খুচরা বাজারে দিচ্ছি।” অন্যদিকে, শরৎনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা মুকুল হোসেন জানান, গত সপ্তাহে পাইকারি দরে ৭৫–৮০ টাকায় কিনে ১০০–১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে দাম কিছুটা কমে ৯৫–১০০ টাকায় নেমেছে। দেশি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করেন—দাম বাড়লেই বাজারে চাপ পড়ে। অনেকে অল্প কিনে চলছেন, কেউ কেউ কম খাচ্ছেন। এদিকে কৃষক সুমিত মন্ডল বলেন, “গত কয়েক বছর পেঁয়াজে লাভ না হলেও এবার শুরুতেই ভালো দাম পেয়েছি। তবে এখন যারা তুলছেন তাদের লাভ কম হবে, কারণ আমদানির কারণে দাম কমে গেছে।” কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সুজানগরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ৩২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সাঁথিয়ায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,৬১০ হেক্টর থেকে উৎপাদন আশা ২৫ হাজার ৫৬৬ টন। জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চারা কাটা পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে। ততদিন বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে।