জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিক ২৫ জুন ২০২৬ ইং | সময় রাত ৯:২৯ মিনিট।নদ-নদী থেকে ২৮ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, উদ্ধার হয়েছে ১,২৪৪ একর তীরভূমি
দেশের নদ-নদী দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে সরকারের চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ৩২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে ১ হাজার ২৪৪ দশমিক ২২ একর নদীতীরভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। উচ্ছেদ কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিনে গাজীপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন। শেখ রবিউল আলম জানান, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় দেশের নদীবন্দরগুলোর ফোরশোর জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ফোরশোর এলাকায় সীমানা পিলার স্থাপন করা হচ্ছে। নদীবন্দরের আওতাভুক্ত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা শনাক্ত ও উচ্ছেদ কার্যক্রমও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নদী দখল ও দূষণরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে অবৈধ দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জেল ও জরিমানা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফোরশোর এলাকায় পাওয়া অবৈধ মালামাল জব্দ কিংবা নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রী আরও জানান, নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ভরাট অপসারণের পর পুনরায় দখল রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে উচ্ছেদকৃত এলাকাগুলোতে নান্দনিক ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক, আরসিসি জেটি, স্টেপস নির্মাণ এবং বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নদীর পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শেখ রবিউল আলম বলেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের সহযোগিতায় সারা দেশে নদ-নদীর অবৈধ দখল ও দূষণরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মন্ত্রী জানান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা হালনাগাদ করেছে। ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে নদ-নদীর মোট ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ দখলদার শনাক্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলদারদের তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি কমিশনের উদ্যোগে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।জেটিভি নিউজ বাংলা
দেশ ও দশের কথা বলে....

স্টাফ রিপোর্টার 



















