ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

দ্বিতীয় সংসারে টানাপোড়েন: পারিবারিক হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব কতটা দায়ী?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২২ জুন ২০২৬ ইং,সময়: সন্ধ্যা ৬:৫৯ মিনিট।

দ্বিতীয় সংসারে টানাপোড়েন: পারিবারিক হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব কতটা দায়ী?

দাম্পত্য জীবনকে সুখী ও স্থিতিশীল রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং বোঝাপড়ার বিকল্প নেই। তবে পারিবারিক হস্তক্ষেপ, অতীতের সম্পর্কের প্রভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতার অভাব অনেক সময় নতুন সংসারে অস্থিরতা তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিয়ে করলে নতুন সম্পর্ককে সময় দেওয়া এবং পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সংসারের সন্তানদের দায়িত্ব পালন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নতুন দাম্পত্য সম্পর্কের চাহিদা ও অনুভূতিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবার পরিকল্পনা, সন্তান নেওয়া বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিবর্তে বাইরের ব্যক্তিদের মতামত বেশি প্রাধান্য পায়। আত্মীয়স্বজনের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ, একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা এবং পারস্পরিক যোগাযোগের ঘাটতি সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে তোলে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, দাম্পত্য সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে নিয়মিত তর্ক-বিতর্ক, অপমানজনক আচরণ কিংবা শারীরিক সহিংসতা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। যেকোনো ধরনের সহিংসতা শুধু সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, এটি আইনগতভাবেও দণ্ডনীয় অপরাধ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পারিবারিক চাপ বা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবের পরিবর্তে স্বামী-স্ত্রীর উচিত নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা, একে অপরের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিংয়ের সহায়তা নেওয়া। সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব বিস্তার বা সহিংসতা কখনোই একটি সম্পর্কের স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

দ্বিতীয় সংসারে টানাপোড়েন: পারিবারিক হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব কতটা দায়ী?

আপডেট সময় ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২২ জুন ২০২৬ ইং,সময়: সন্ধ্যা ৬:৫৯ মিনিট।

দ্বিতীয় সংসারে টানাপোড়েন: পারিবারিক হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব কতটা দায়ী?

দাম্পত্য জীবনকে সুখী ও স্থিতিশীল রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং বোঝাপড়ার বিকল্প নেই। তবে পারিবারিক হস্তক্ষেপ, অতীতের সম্পর্কের প্রভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতার অভাব অনেক সময় নতুন সংসারে অস্থিরতা তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিয়ে করলে নতুন সম্পর্ককে সময় দেওয়া এবং পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সংসারের সন্তানদের দায়িত্ব পালন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নতুন দাম্পত্য সম্পর্কের চাহিদা ও অনুভূতিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবার পরিকল্পনা, সন্তান নেওয়া বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিবর্তে বাইরের ব্যক্তিদের মতামত বেশি প্রাধান্য পায়। আত্মীয়স্বজনের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ, একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা এবং পারস্পরিক যোগাযোগের ঘাটতি সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে তোলে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, দাম্পত্য সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে নিয়মিত তর্ক-বিতর্ক, অপমানজনক আচরণ কিংবা শারীরিক সহিংসতা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। যেকোনো ধরনের সহিংসতা শুধু সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, এটি আইনগতভাবেও দণ্ডনীয় অপরাধ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পারিবারিক চাপ বা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবের পরিবর্তে স্বামী-স্ত্রীর উচিত নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা, একে অপরের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিংয়ের সহায়তা নেওয়া। সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব বিস্তার বা সহিংসতা কখনোই একটি সম্পর্কের স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে...