জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১৩ জুন ২০২৬ ইং সময়: শনিবার,দুপুর ১:১৬ মিনিট।জ্বালানি সংকটে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, উন্নয়ন কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে: ড. খলিলুর রহমান
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামী দিনগুলোতে তহবিলের প্রাপ্যতা আরও কমে যেতে পারে। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ড. খলিলুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদন ও উন্নয়ন ব্যয়ের ওপর। বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে তহবিল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং আগামী বছরগুলোতে তহবিল সংকটের দ্বিতীয় দফা প্রভাব দেখা দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সমিতির সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমান জ্বালানি সংকটের ব্যাপ্তি আগের তিনটি বড় তেল সংকটের চেয়েও বিস্তৃত হতে পারে। এমন বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও উন্নয়নকে কেন্দ্র করে নতুন সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা জরুরি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও বিনিয়োগবান্ধব গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, একই ধরনের চ্যালেঞ্জ বিশ্বের অনেক দেশই মোকাবিলা করছে। রফতানি সক্ষমতা ধরে রাখা এবং তা আরও সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশকে অধিক প্রতিযোগিতামূলক ও সতর্ক কৌশল গ্রহণ করতে হবে। ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে সুদের হার বৃদ্ধি বিনিয়োগ পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো তুলনামূলক কম সুদে ঋণ নিতে পারলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অনেক বেশি সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে, যা অর্থায়নের সুযোগ সীমিত করে দিচ্ছে। জলবায়ু ঝুঁকির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো অতিরিক্ত সুদের বোঝার মুখে পড়ছে, যার ফলে বৈদেশিক ঋণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের বিকল্প নেই।জেটিভি নিউজ বাংলা
দেশ ও দশের কথা বলে.....

ডেস্ক রিপোর্ট 






















