ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি ব্ল্যাকলিস্টিং’ থেকে মুক্তি মিলছে না শ্রমিকদের, ব্যক্তিগত তথ্য নিয়েও শঙ্কা আওয়ামী লীগ আমলের হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা, তদন্ত চলছে অধিকাংশের চট্টগ্রাম শহর পানির ওপর ভাসছে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সিদ্ধিরগঞ্জের দুই হত্যা মামলায় আইভীর জামিন নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি আবারও বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম, লিটারে বৃদ্ধি ৪ টাকা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করেছে”—জামায়াতকে ঘিরে কড়া সমালোচনা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছের ফের ৩ দিনের রিমান্ডে মুক্তিযুদ্ধ বনাম ‘৫ আগস্ট’ ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সরব অধিবেশন

রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় এক মিনিট আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

jtvnewsbangla

তারিখ | ১ মে ২০২৬ ইং| সময় :০৪:২১ মিনিট।

রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হিসেবে যে রেমিট্যান্স আজ প্রতিষ্ঠিত—তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারা বজায় রেখে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেন, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এছাড়া খালেদা জিয়ার সময়ে ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা আরও জোরদার হয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নানা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে বন্ধ থাকা সরকারি চিনিকল, পাট ও রেশম শিল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি শ্রমিকদের দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিল্প, কৃষি, পরিবহন ও নির্মাণসহ সব খাতে তাদের অবদান অপরিসীম। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের শ্রম দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস। মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং টেকসই শিল্প উন্নয়ন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার কথাও জানান রাষ্ট্রপতি।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি

রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় এক মিনিট আগে

jtvnewsbangla

তারিখ | ১ মে ২০২৬ ইং| সময় :০৪:২১ মিনিট।

রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রপতি

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হিসেবে যে রেমিট্যান্স আজ প্রতিষ্ঠিত—তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারা বজায় রেখে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেন, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এছাড়া খালেদা জিয়ার সময়ে ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা আরও জোরদার হয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নানা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে বন্ধ থাকা সরকারি চিনিকল, পাট ও রেশম শিল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি শ্রমিকদের দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিল্প, কৃষি, পরিবহন ও নির্মাণসহ সব খাতে তাদের অবদান অপরিসীম। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের শ্রম দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস। মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং টেকসই শিল্প উন্নয়ন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার কথাও জানান রাষ্ট্রপতি।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....