ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী: একুশের চেতনায় গণতন্ত্র সুসংহত করার অঙ্গীকার হেমায়েতপুর ফুটপাত: চাঁদাবাজি, জুয়া ও লটারি শ্রমিকদের নিঃস্ব করছে একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা বলয়: সুনির্দিষ্ট কোনো শঙ্কা নেই—ডিএমপি কমিশনার রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না চাঁদাবাজির লাগাম টানতে ও নির্মূল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ: গণতান্ত্রিক সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রমজানজুড়ে বন্ধ সব বিদ্যালয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি আমিনবাজার সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দুটি আসনে জয়, একটিতে থাকতে হবে: ৩০ দিনের সিদ্ধান্তের মুখে তারেক রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা  ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, ১১:২৫ এএম।    দুটি আসনে জয়, একটিতে থাকতে হবে: ৩০ দিনের সিদ্ধান্তের মুখে তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—এই দুই আসন থেকেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সংবিধান ও সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, একসঙ্গে একাধিক আসনের সংসদ সদস্য থাকা যাবে না। ফলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে তাকে একটি আসন বেছে নিতে হবে। নিজ জেলা বগুড়া-৬ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিতে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন তারেক রহমান। এই আসনে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। অন্যদিকে ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল তুলনামূলকভাবে হাড্ডাহাড্ডি। এখানে তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। ফলে রাজধানীর এই আসনে জয় এসেছে পাঁচ হাজারেরও কম ভোটের ব্যবধানে। সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না। একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে কোন আসনে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে এবং সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত শপথ গ্রহণও করা যাবে না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ–১৯৭২ অনুযায়ী বর্তমানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের আমলে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হওয়ার বিধান থাকলেও ২০০৮ সালে তা সংশোধন করে তিনটিতে সীমাবদ্ধ করা হয়। এদিকে সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণে কোনো আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে সেখানে উপ-নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। ফলে তারেক রহমান যে আসনটি ছেড়ে দেবেন, সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে এবং একজন প্রার্থী দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, শেরপুর-৩ ও তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনের উপ-নির্বাচন একই দিনে আয়োজন করা হতে পারে। ইসির একাধিক কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, এই দুই আসনের উপ-নির্বাচন একসঙ্গে করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দলের চেয়ারম্যান কোন আসনটি ছাড়বেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সম্ভাবনার দিক থেকে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তারেক রহমান সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং দলীয় প্রধান হিসেবে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সে হিসাবে সংবিধান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে আরও কিছু সময় হাতে রয়েছে তারেক রহমানের।   জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবন্ধ...

   

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

দুটি আসনে জয়, একটিতে থাকতে হবে: ৩০ দিনের সিদ্ধান্তের মুখে তারেক রহমান

আপডেট সময় ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেটিভি নিউজ বাংলা  ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, ১১:২৫ এএম।    দুটি আসনে জয়, একটিতে থাকতে হবে: ৩০ দিনের সিদ্ধান্তের মুখে তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—এই দুই আসন থেকেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সংবিধান ও সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, একসঙ্গে একাধিক আসনের সংসদ সদস্য থাকা যাবে না। ফলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে তাকে একটি আসন বেছে নিতে হবে। নিজ জেলা বগুড়া-৬ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিতে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন তারেক রহমান। এই আসনে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। অন্যদিকে ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল তুলনামূলকভাবে হাড্ডাহাড্ডি। এখানে তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। ফলে রাজধানীর এই আসনে জয় এসেছে পাঁচ হাজারেরও কম ভোটের ব্যবধানে। সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না। একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে কোন আসনে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে এবং সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত শপথ গ্রহণও করা যাবে না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ–১৯৭২ অনুযায়ী বর্তমানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের আমলে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হওয়ার বিধান থাকলেও ২০০৮ সালে তা সংশোধন করে তিনটিতে সীমাবদ্ধ করা হয়। এদিকে সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণে কোনো আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে সেখানে উপ-নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। ফলে তারেক রহমান যে আসনটি ছেড়ে দেবেন, সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে এবং একজন প্রার্থী দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, শেরপুর-৩ ও তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনের উপ-নির্বাচন একই দিনে আয়োজন করা হতে পারে। ইসির একাধিক কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, এই দুই আসনের উপ-নির্বাচন একসঙ্গে করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দলের চেয়ারম্যান কোন আসনটি ছাড়বেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সম্ভাবনার দিক থেকে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তারেক রহমান সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং দলীয় প্রধান হিসেবে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সে হিসাবে সংবিধান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে আরও কিছু সময় হাতে রয়েছে তারেক রহমানের।   জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবন্ধ...