ঢাকা
,
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ
রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম
সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন
আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার
দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় জুলাইযোদ্ধা হাদি হত্যাকাণ্ড ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
-
Reporter Name - আপডেট সময় ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
- ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় জুলাইযোদ্ধা হাদি হত্যাকাণ্ড
ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
জেটিভি নিউজ বাংলা, স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
ফাইল ছবি, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ১১:০৬ পিএম।
জুলাইযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্তে হাদি হত্যার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সাংবাদিকদের জানান ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ৫ জন এখনো পলাতক।”
ডিবি প্রধান আরও বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরিফ ওসমান বিন হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।”
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শরিফ ওসমান বিন হাদি বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন পরিচিত ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে তিনি ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন এবং বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, ইলেকট্রনিক ও সামাজিক মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অতীত কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে আসছিলেন। তার এই বক্তব্যে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
ডিবি জানায়, হাদির রাজনৈতিক কার্যক্রম ও বক্তব্যের জেরে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পীর নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
ডিবি প্রধান জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি গুলিবর্ষণকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম মাসুদকে। তার সহযোগী হিসেবে আদাবর থানার যুবলীগ কর্মী আলমগীরের নাম উঠে এসেছে। তবে এই তিনজনই বর্তমানে পলাতক এবং তারা ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে তদন্তে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে চলন্ত একটি মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা শরিফ ওসমান বিন হাদির মাথায় গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
জেটিভি নিউজ বাংলা
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ





















