ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক  ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক দিন, যেদিন দেশপ্রেমিক জনগণ ও সৈনিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল। এই দিনই জাতির সামনে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছিল— একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথে।   বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে, গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়— যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।” বিএনপি মহাসচিব বলেন, “১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ আধিপত্যবাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এটি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত।” তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তাঁর শাসনামলে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। এই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।” বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজও নানা চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য। কিন্তু ৭ নভেম্বর আমাদের শেখায়— জনগণের ঐক্যই গণতন্ত্র ও ন্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

উপস্থিত ছিলেন:

শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক  ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক দিন, যেদিন দেশপ্রেমিক জনগণ ও সৈনিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল। এই দিনই জাতির সামনে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছিল— একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথে।   বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে, গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়— যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।” বিএনপি মহাসচিব বলেন, “১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ আধিপত্যবাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এটি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত।” তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তাঁর শাসনামলে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। এই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।” বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজও নানা চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য। কিন্তু ৭ নভেম্বর আমাদের শেখায়— জনগণের ঐক্যই গণতন্ত্র ও ন্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

উপস্থিত ছিলেন:

শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।