ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক  ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক দিন, যেদিন দেশপ্রেমিক জনগণ ও সৈনিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল। এই দিনই জাতির সামনে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছিল— একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথে।   বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে, গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়— যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।” বিএনপি মহাসচিব বলেন, “১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ আধিপত্যবাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এটি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত।” তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তাঁর শাসনামলে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। এই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।” বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজও নানা চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য। কিন্তু ৭ নভেম্বর আমাদের শেখায়— জনগণের ঐক্যই গণতন্ত্র ও ন্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

উপস্থিত ছিলেন:

শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক  ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
জেটিভি নিউজ বাংলা, ডেস্ক ‘৭ নভেম্বর দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক’ — মির্জা ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক দিন, যেদিন দেশপ্রেমিক জনগণ ও সৈনিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল। এই দিনই জাতির সামনে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছিল— একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথে।   বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে, গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়— যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।” বিএনপি মহাসচিব বলেন, “১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ আধিপত্যবাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এটি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত।” তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তাঁর শাসনামলে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। এই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।” বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজও নানা চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য। কিন্তু ৭ নভেম্বর আমাদের শেখায়— জনগণের ঐক্যই গণতন্ত্র ও ন্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

উপস্থিত ছিলেন:

শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।